০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

ঈদের আগে সরকার ছাড়ল পোশাক খাতের ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা

সরকার রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর বকেয়া নগদ সহায়তার অংশ হিসেবে মোট ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে, অনেক প্রতিষ্ঠান ঈদের আগেই আর্থিক স্বস্তি পেল।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেন, “আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শিল্প মালিকদের ওপর শ্রমিক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস এবং ইউটিলিটি বিল পরিশোধের চাপ অনেক বেড়ে গেছে। এমন সময়ে নগদ সহায়তা শিল্পের জন্য বড় সান্ত্বনা ও কার্যকর সহায়তা হবে।”

বিজিএমইএ জানিয়েছে যে আটকে থাকা এই সহায়তা দ্রুত ছাড়ার দাবিতে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ সরকারের উচ্চপর্যায়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করে। সেই উদ্যোগের ফলেই স্বল্প সময়ের মধ্যে তহবিল অনুমোদন সম্ভব হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তির প্রথম ধাপে ১৫০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১০০০ কোটি টাকা—মোট ২৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সমিতিটি its সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত তাদের লিয়েন ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তহবিল দ্রুত ছাড়যোগ্য হয়।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অর্থ ছাড় রপ্তানি খাতের চলমান তারল্য সংকট অনেক অংশে মোকাবেলায় সাহায্য করবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

রপ্তানিকারক ও মিল মালিকেরা আশা করছেন, ঈদের আগে এই তহবিল ছাড় পেয়ে তারা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ও অপরিহার্য চার্জ সময়মতো মিটিয়ে চলার সক্ষমতা পাবেন, ফলে উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রমে তদূপরি প্রভাব কমবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের আগে সরকার ছাড়ল পোশাক খাতের ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা নগদ সহায়তা

প্রকাশিতঃ ০৩:২৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

সরকার রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর বকেয়া নগদ সহায়তার অংশ হিসেবে মোট ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় করেছে, অনেক প্রতিষ্ঠান ঈদের আগেই আর্থিক স্বস্তি পেল।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছে। সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেন, “আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শিল্প মালিকদের ওপর শ্রমিক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস এবং ইউটিলিটি বিল পরিশোধের চাপ অনেক বেড়ে গেছে। এমন সময়ে নগদ সহায়তা শিল্পের জন্য বড় সান্ত্বনা ও কার্যকর সহায়তা হবে।”

বিজিএমইএ জানিয়েছে যে আটকে থাকা এই সহায়তা দ্রুত ছাড়ার দাবিতে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ সরকারের উচ্চপর্যায়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করে। সেই উদ্যোগের ফলেই স্বল্প সময়ের মধ্যে তহবিল অনুমোদন সম্ভব হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তির প্রথম ধাপে ১৫০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১০০০ কোটি টাকা—মোট ২৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সমিতিটি its সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত তাদের লিয়েন ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে তহবিল দ্রুত ছাড়যোগ্য হয়।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অর্থ ছাড় রপ্তানি খাতের চলমান তারল্য সংকট অনেক অংশে মোকাবেলায় সাহায্য করবে এবং বৈশ্বিক বাজারে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

রপ্তানিকারক ও মিল মালিকেরা আশা করছেন, ঈদের আগে এই তহবিল ছাড় পেয়ে তারা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ও অপরিহার্য চার্জ সময়মতো মিটিয়ে চলার সক্ষমতা পাবেন, ফলে উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রমে তদূপরি প্রভাব কমবে।