০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা নিজ হাতে নিতে না পারায় তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ও তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন উপস্থিত থেকে পুরস্কারপত্র প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে several নারীকে পুরস্কৃত করা হয়। ঘোষিত নামগুলোর মধ্যে ছিলেন— গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় খালেদা জিয়া; অর্থনীতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নুরুন নাহার আক্তার; শিক্ষা ও কর্মজীবনে সফল মোছা ববিতা খাতুন; সফল জননী নুরবানু কবীর; নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেরিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী মোছা শমলা বেগম; এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা মোছা আফরোজা ইয়াসমিন। (আয়োজকরা পাঁচটি ক্যাটাগরির কথা জানিয়লেও তালিকায় মোট ছয়জনের নাম ছিল।)

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বক্তব্যে বলেন, “শত অত্যাচার সইতে গিয়েও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অটল।’’ তিনি আরও বলেন, “নারীদের সাহস, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বই আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সমাজ গড়তে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। নারীরা এগোলে জাতিও এগিয়ে যাবে।’’

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ যেখানে সব নারী নিরাপদ থাকবেন। নারী দিবসটি হোক সাম্যতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্বলিত করার দিন।’’

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, সামাজিক নেতৃত্ব এবং অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও সমাজসেবীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের পরিবেশ নান্দনিক ও ভাবগম্ভীর থাকলেও নারী অধিকার, সুরক্ষা ও সুযোগসুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজন নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা নিজ হাতে নিতে না পারায় তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ও তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন উপস্থিত থেকে পুরস্কারপত্র প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে several নারীকে পুরস্কৃত করা হয়। ঘোষিত নামগুলোর মধ্যে ছিলেন— গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় খালেদা জিয়া; অর্থনীতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নুরুন নাহার আক্তার; শিক্ষা ও কর্মজীবনে সফল মোছা ববিতা খাতুন; সফল জননী নুরবানু কবীর; নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেরিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী মোছা শমলা বেগম; এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা মোছা আফরোজা ইয়াসমিন। (আয়োজকরা পাঁচটি ক্যাটাগরির কথা জানিয়লেও তালিকায় মোট ছয়জনের নাম ছিল।)

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বক্তব্যে বলেন, “শত অত্যাচার সইতে গিয়েও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অটল।’’ তিনি আরও বলেন, “নারীদের সাহস, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বই আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সমাজ গড়তে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। নারীরা এগোলে জাতিও এগিয়ে যাবে।’’

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ যেখানে সব নারী নিরাপদ থাকবেন। নারী দিবসটি হোক সাম্যতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্বলিত করার দিন।’’

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, সামাজিক নেতৃত্ব এবং অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও সমাজসেবীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের পরিবেশ নান্দনিক ও ভাবগম্ভীর থাকলেও নারী অধিকার, সুরক্ষা ও সুযোগসুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজন নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলে।