০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফ্যামিলি কার্ড পাইলটে সাড়ে ৩৭ হাজার নারী-প্রধান পরিবার ভাতা পাবেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১০ দিন পর চট্টগ্রামে প্রথম ডিজেল ট্যাংকার, এক সপ্তাহে আরও চারটি আসবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ডিএসসিসির কড়া নির্দেশনা ঈদে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে সেতু সচিবের যমুনা সেতু ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিদর্শন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ৪ প্রবাসী নিহত: প্রতিমন্ত্রী ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু

খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা নিজ হাতে নিতে না পারায় তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ও তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন উপস্থিত থেকে পুরস্কারপত্র প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে several নারীকে পুরস্কৃত করা হয়। ঘোষিত নামগুলোর মধ্যে ছিলেন— গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় খালেদা জিয়া; অর্থনীতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নুরুন নাহার আক্তার; শিক্ষা ও কর্মজীবনে সফল মোছা ববিতা খাতুন; সফল জননী নুরবানু কবীর; নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেরিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী মোছা শমলা বেগম; এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা মোছা আফরোজা ইয়াসমিন। (আয়োজকরা পাঁচটি ক্যাটাগরির কথা জানিয়লেও তালিকায় মোট ছয়জনের নাম ছিল।)

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বক্তব্যে বলেন, “শত অত্যাচার সইতে গিয়েও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অটল।’’ তিনি আরও বলেন, “নারীদের সাহস, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বই আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সমাজ গড়তে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। নারীরা এগোলে জাতিও এগিয়ে যাবে।’’

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ যেখানে সব নারী নিরাপদ থাকবেন। নারী দিবসটি হোক সাম্যতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্বলিত করার দিন।’’

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, সামাজিক নেতৃত্ব এবং অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও সমাজসেবীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের পরিবেশ নান্দনিক ও ভাবগম্ভীর থাকলেও নারী অধিকার, সুরক্ষা ও সুযোগসুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজন নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে ১০ দিন পর চট্টগ্রামে প্রথম ডিজেল ট্যাংকার, এক সপ্তাহে আরও চারটি আসবে

খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা নিজ হাতে নিতে না পারায় তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ও তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন উপস্থিত থেকে পুরস্কারপত্র প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে several নারীকে পুরস্কৃত করা হয়। ঘোষিত নামগুলোর মধ্যে ছিলেন— গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় খালেদা জিয়া; অর্থনীতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নুরুন নাহার আক্তার; শিক্ষা ও কর্মজীবনে সফল মোছা ববিতা খাতুন; সফল জননী নুরবানু কবীর; নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন পেরিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী মোছা শমলা বেগম; এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা মোছা আফরোজা ইয়াসমিন। (আয়োজকরা পাঁচটি ক্যাটাগরির কথা জানিয়লেও তালিকায় মোট ছয়জনের নাম ছিল।)

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বক্তব্যে বলেন, “শত অত্যাচার সইতে গিয়েও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অটল।’’ তিনি আরও বলেন, “নারীদের সাহস, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বই আমাদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সমাজ গড়তে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। নারীরা এগোলে জাতিও এগিয়ে যাবে।’’

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ যেখানে সব নারী নিরাপদ থাকবেন। নারী দিবসটি হোক সাম্যতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনর্বলিত করার দিন।’’

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী, সামাজিক নেতৃত্ব এবং অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও সমাজসেবীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের পরিবেশ নান্দনিক ও ভাবগম্ভীর থাকলেও নারী অধিকার, সুরক্ষা ও সুযোগসুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজন নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা চলে।