০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জামিনে মুক্তি: আনিস আলমগীর বললেন—’শুধু অন্যায় নয়, আমার ওপর জুলুম করা হয়েছে’ নোয়াবের নতুন সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত সংসদেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমর একুশে গ্রন্থমেলায় মো. আসাদুজ্জামানের ‘শুধু মাধবীর জন্য’ মোড়ক উন্মোচন শীঘ্রই বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু হবে: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কাশিমপুর থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর ২৩-২৫ মার্চ স্মৃতিসৌধে জনসাধারণের প্রবেশ বন্ধ বজ্রসহ শিলাবৃষ্টিতে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে তিনজন নিহত ১৫ মার্চ থেকে গণপরিবহনের জ্বালানি পর্যাপ্ত থাকবে: মন্ত্রী শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা

টোকিওতে ইন্দো-প্যাসিফিক জ্বালানি নিরাপত্তা ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা ও টেকসই, স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই লক্ষ্য করে টোকিওতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। ‘ইন্দো-প্যাসিফিক এনার্জি সিকিউরিটি মিনিস্টেরিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ফোরাম’শিরোনামে আয়োজিত এ সম্মেলনের প্রথম দিন ১৪ মার্চ শুরু হয়ে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

বাংলাদেশের ব‍ক্ষে এ ফোরামে অংশগ্রহণ করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি এ সম্মেলনে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়গুলোর উপর গুরুত্বারোপ করবেন বলে জানা গেছে।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে জাপান সরকার (অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়) ও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এনার্জি ডমিনেন্স কাউন্সিল। আয়োজক প্যানেলে রয়েছেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ডগ বারগাম, ভাইস চেয়ারম্যান ও মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী আকাজাওয়া রিওসেই।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তিমুর-লিস্তে এবং ভিয়েতনামসহ নানান দেশের জ্বালানি মন্ত্রীরা অংশ নিচ্ছেন। নীতিনির্ধারকরা একটি স্থিতিশীল, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন ও আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।

আনুষ্ঠানিক সেশনের বাইরে বাংলাদেশের মন্ত্রী অন্যান্য অংশগ্রহণকারী দেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক কিংবা অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রাখছেন। এসব বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জ্বালানি নিরাপত্তায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা অপরিহার্য। এ ধরনের ফোরামে সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে স্বসংহত ও টেকসই করার পথে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

টোকিওতে ইন্দো-প্যাসিফিক জ্বালানি নিরাপত্তা ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব

প্রকাশিতঃ ০৯:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা ও টেকসই, স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই লক্ষ্য করে টোকিওতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। ‘ইন্দো-প্যাসিফিক এনার্জি সিকিউরিটি মিনিস্টেরিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ফোরাম’শিরোনামে আয়োজিত এ সম্মেলনের প্রথম দিন ১৪ মার্চ শুরু হয়ে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

বাংলাদেশের ব‍ক্ষে এ ফোরামে অংশগ্রহণ করছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি এ সম্মেলনে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়গুলোর উপর গুরুত্বারোপ করবেন বলে জানা গেছে।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে জাপান সরকার (অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়) ও যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এনার্জি ডমিনেন্স কাউন্সিল। আয়োজক প্যানেলে রয়েছেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ডগ বারগাম, ভাইস চেয়ারম্যান ও মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী আকাজাওয়া রিওসেই।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তিমুর-লিস্তে এবং ভিয়েতনামসহ নানান দেশের জ্বালানি মন্ত্রীরা অংশ নিচ্ছেন। নীতিনির্ধারকরা একটি স্থিতিশীল, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন ও আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।

আনুষ্ঠানিক সেশনের বাইরে বাংলাদেশের মন্ত্রী অন্যান্য অংশগ্রহণকারী দেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক কিংবা অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রাখছেন। এসব বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জ্বালানি নিরাপত্তায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা অপরিহার্য। এ ধরনের ফোরামে সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে স্বসংহত ও টেকসই করার পথে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।