০২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী

মেয়াদপূর্তি: পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত হলো এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড

মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুঁজিবাজার থেকে তালিকাভুক্তি বন্ধ হল এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড; ফলে আজকের পর থেকে ফান্ডটির ইউনিট শেয়ারবাজারে আর লেনদেনযোগ্য থাকবে না। বিষয়টি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএসই জানায়, ফান্ডটির ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) গত বছরের ১১ নভেম্বর ডিএসই-কে একটি চিঠি দিয়ে তথ্য প্রদান করে। ওই চিঠির আলোকে ডিএসই কর্তৃপক্ষ গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত বৈঠকে ফান্ডটির ইউনিট স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ফান্ডটির অবসায়নের অনুমোদন দিয়েছে। ফান্ডটির নির্ধারিত মেয়াদ চলতি বছরের ১০ মার্চই শেষ হয়েছে।

এর আগে ফান্ডটির মেয়াদ আরও ১০ বছর বাড়ানো এবং সেই সঙ্গে মেয়াদি (closed-end) ফান্ডকে বে-মেয়াদি (open-end) ফান্ডে রূপান্তরের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০০১ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হওয়ায় বিএসইসি ওই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এই ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৬১ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং পুঞ্জীভূত লোকসান প্রায় ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ফান্ডটির মোট ইউনিট সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের অংশ ছিল ৩.২৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশ ২৮.৭৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর অংশ ০.২০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিল বাকি ৬৭.৮০ শতাংশ।

এই তালিকাচ্যুতির পর ফান্ডটির অবসানের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং শেয়ারবাজারে তার ইউনিট আর তালিকাভুক্ত থাকবে না—যা তার বর্তমান বিনিয়োগকারীদের জন্য কার্যকারিতা ও লেনদেনের দিকে পরিবর্তন ঘটাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মেয়াদপূর্তি: পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত হলো এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুঁজিবাজার থেকে তালিকাভুক্তি বন্ধ হল এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড; ফলে আজকের পর থেকে ফান্ডটির ইউনিট শেয়ারবাজারে আর লেনদেনযোগ্য থাকবে না। বিষয়টি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএসই জানায়, ফান্ডটির ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) গত বছরের ১১ নভেম্বর ডিএসই-কে একটি চিঠি দিয়ে তথ্য প্রদান করে। ওই চিঠির আলোকে ডিএসই কর্তৃপক্ষ গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত বৈঠকে ফান্ডটির ইউনিট স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে তালিকাচ্যুত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ফান্ডটির অবসায়নের অনুমোদন দিয়েছে। ফান্ডটির নির্ধারিত মেয়াদ চলতি বছরের ১০ মার্চই শেষ হয়েছে।

এর আগে ফান্ডটির মেয়াদ আরও ১০ বছর বাড়ানো এবং সেই সঙ্গে মেয়াদি (closed-end) ফান্ডকে বে-মেয়াদি (open-end) ফান্ডে রূপান্তরের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা, ২০০১ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হওয়ায় বিএসইসি ওই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এই ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৬১ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং পুঞ্জীভূত লোকসান প্রায় ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ফান্ডটির মোট ইউনিট সংখ্যা ছিল ৬ কোটি ১৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের অংশ ছিল ৩.২৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশ ২৮.৭৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর অংশ ০.২০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছিল বাকি ৬৭.৮০ শতাংশ।

এই তালিকাচ্যুতির পর ফান্ডটির অবসানের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে এবং শেয়ারবাজারে তার ইউনিট আর তালিকাভুক্ত থাকবে না—যা তার বর্তমান বিনিয়োগকারীদের জন্য কার্যকারিতা ও লেনদেনের দিকে পরিবর্তন ঘটাবে।