০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া: ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক তদন্ত করবে

ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ না করায় সরকার এবার আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করবে। মিরপুরের এক আয়োজিত অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কেন এবং কী পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ এই মেগা ইভেন্টে খেলতে হয়নি—তার সত্যতা খুঁজে বের করতেই একটি শক্তিশালী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। তিনি বলেন, এটি ক্রীড়া কূটনীতির ব্যর্থতা নাকি প্রশাসনিক কোনো ত্রুটির ফল তা খতিয়ে দেখা দরকার।

ঘটনাপ্রবাহ বলছে, নিরাপত্তার প্রেক্ষাপট দেখিয়ে প্রথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ও আইসিসিকে অনুরোধ করে যে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক। কিন্তু আইসিসি সেই আবেদন ফিরিয়ে দিয়ে স্পষ্ট করে যে, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভেন্যু—ভারত—ই বজায় থাকবে। এ অচলাবস্থার এক পর্যায়ে আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে মূল আসরে অন্তর্ভুক্ত করে। এতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

প্রতিমন্ত্রী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, জাতীয় স্তরে এমন একটি বড় ইভেন্টে Bangladesh-এর অনুপস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারিগরি, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রতিটি দিক পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত কমিটি খুঁজে বের করবে কোথায় সমন্বয়ের অভাব ছিল, কোন সিদ্ধান্তগুলোর কারণে পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এটিও প্রতিমন্ত্রী অনুরূপভাবে জানান। প্রাপ্ত প্রতিবেদনের আলোকে ক্রিকেট বোর্ডসহ সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। এছাড়া দেশের ক্রীড়াঙ্গনের স্বনাম রক্ষা এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার প্রয়োজনীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে; প্রশাসনিক রদবদল বা নতুন নীতিমালা প্রণয়নও সম্ভব।

বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে খেলার সুযোগ হারানো জাতীয় ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় ধাক্কা। এখন লক্ষ্য থাকবে তদন্ত কমিটির কাজ শেষ করে তাৎপর্যপূর্ণ এবং স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, যাতে ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়া কূটনীতি ও প্রশাসনে ত্রুটি থাকে না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া: ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক তদন্ত করবে

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ না করায় সরকার এবার আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করবে। মিরপুরের এক আয়োজিত অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কেন এবং কী পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ এই মেগা ইভেন্টে খেলতে হয়নি—তার সত্যতা খুঁজে বের করতেই একটি শক্তিশালী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। তিনি বলেন, এটি ক্রীড়া কূটনীতির ব্যর্থতা নাকি প্রশাসনিক কোনো ত্রুটির ফল তা খতিয়ে দেখা দরকার।

ঘটনাপ্রবাহ বলছে, নিরাপত্তার প্রেক্ষাপট দেখিয়ে প্রথমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ও আইসিসিকে অনুরোধ করে যে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক। কিন্তু আইসিসি সেই আবেদন ফিরিয়ে দিয়ে স্পষ্ট করে যে, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভেন্যু—ভারত—ই বজায় থাকবে। এ অচলাবস্থার এক পর্যায়ে আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে মূল আসরে অন্তর্ভুক্ত করে। এতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

প্রতিমন্ত্রী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, জাতীয় স্তরে এমন একটি বড় ইভেন্টে Bangladesh-এর অনুপস্থিতি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারিগরি, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রতিটি দিক পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত কমিটি খুঁজে বের করবে কোথায় সমন্বয়ের অভাব ছিল, কোন সিদ্ধান্তগুলোর কারণে পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়েছিল এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এটিও প্রতিমন্ত্রী অনুরূপভাবে জানান। প্রাপ্ত প্রতিবেদনের আলোকে ক্রিকেট বোর্ডসহ সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। এছাড়া দেশের ক্রীড়াঙ্গনের স্বনাম রক্ষা এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার প্রয়োজনীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে; প্রশাসনিক রদবদল বা নতুন নীতিমালা প্রণয়নও সম্ভব।

বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে খেলার সুযোগ হারানো জাতীয় ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় ধাক্কা। এখন লক্ষ্য থাকবে তদন্ত কমিটির কাজ শেষ করে তাৎপর্যপূর্ণ এবং স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, যাতে ভবিষ্যতে দেশের ক্রীড়া কূটনীতি ও প্রশাসনে ত্রুটি থাকে না।