১১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

গ্লোবাল জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ধারা ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুমোদন পাওয়া যায়। বৈঠকটি প্রবীণ অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

সরকারি তদবিরে জানানো হয়েছে, এলএনজি দুটি এপ্রিল মাসে দুটি দফায় দেশে পৌঁছাবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে ১০ম কার্গো ২৪–২৫ এপ্রিল এবং ১১তম কার্গো ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে এই দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস থেকে কেনা হচ্ছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার, আর প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধার্য করা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং সেটি এলএনজি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এসেছে। এর ফলে স্পট মার্কেট থেকে গত কয়েক সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

এর আগেও বেশ কয়েক দফায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হয়েছে। গত ১১ মার্চ একই কমিটির বৈঠকে তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল—একটির মূল্য ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ ডলার এবং বাকি দুইটির মূল্য ছিল ২০ দশমিক ৭৬ ডলার। তার পূর্বে, এক সপ্তাহ আগের অনুমোদনে দুটি কার্গো নেওয়া হয়েছিল, যেখানে একটির দাম ছিল ২৮ দশমিক ২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ছিল ২৩ দশমিক ০৮ ডলার।

জ্বালানি বাজারের উত্থান-পতন এবং আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই ক্রয়গুলি সময়োপযোগী সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সরকারের উদ্যোগ হিসেবে দেখায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

গ্লোবাল জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ধারা ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুমোদন পাওয়া যায়। বৈঠকটি প্রবীণ অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

সরকারি তদবিরে জানানো হয়েছে, এলএনজি দুটি এপ্রিল মাসে দুটি দফায় দেশে পৌঁছাবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে ১০ম কার্গো ২৪–২৫ এপ্রিল এবং ১১তম কার্গো ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে এই দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস থেকে কেনা হচ্ছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার, আর প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধার্য করা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং সেটি এলএনজি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এসেছে। এর ফলে স্পট মার্কেট থেকে গত কয়েক সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

এর আগেও বেশ কয়েক দফায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হয়েছে। গত ১১ মার্চ একই কমিটির বৈঠকে তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল—একটির মূল্য ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ ডলার এবং বাকি দুইটির মূল্য ছিল ২০ দশমিক ৭৬ ডলার। তার পূর্বে, এক সপ্তাহ আগের অনুমোদনে দুটি কার্গো নেওয়া হয়েছিল, যেখানে একটির দাম ছিল ২৮ দশমিক ২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ছিল ২৩ দশমিক ০৮ ডলার।

জ্বালানি বাজারের উত্থান-পতন এবং আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই ক্রয়গুলি সময়োপযোগী সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সরকারের উদ্যোগ হিসেবে দেখায়।