০৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
হোয়াইট হাউজে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৬ মরদেহ উদ্ধার ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা স্বাধীনতা দিবসে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন — বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক রাষ্ট্র-রাষ্ট্র মডেলের উদাহরণ স্বাধীনতা দিবসে ভারতের রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী: স্বাধীনতা দিবস আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমকে উজ্জীবিত করে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায়, উদ্ধারকাজ চলছে আঞ্চলিক কার্যালয়েও বায়োমেট্রিক যাচাই শুরু তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার আহ্বান জানালেন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশরের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল

স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

গ্লোবাল জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ধারা ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুমোদন পাওয়া যায়। বৈঠকটি প্রবীণ অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

সরকারি তদবিরে জানানো হয়েছে, এলএনজি দুটি এপ্রিল মাসে দুটি দফায় দেশে পৌঁছাবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে ১০ম কার্গো ২৪–২৫ এপ্রিল এবং ১১তম কার্গো ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে এই দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস থেকে কেনা হচ্ছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার, আর প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধার্য করা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং সেটি এলএনজি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এসেছে। এর ফলে স্পট মার্কেট থেকে গত কয়েক সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

এর আগেও বেশ কয়েক দফায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হয়েছে। গত ১১ মার্চ একই কমিটির বৈঠকে তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল—একটির মূল্য ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ ডলার এবং বাকি দুইটির মূল্য ছিল ২০ দশমিক ৭৬ ডলার। তার পূর্বে, এক সপ্তাহ আগের অনুমোদনে দুটি কার্গো নেওয়া হয়েছিল, যেখানে একটির দাম ছিল ২৮ দশমিক ২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ছিল ২৩ দশমিক ০৮ ডলার।

জ্বালানি বাজারের উত্থান-পতন এবং আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই ক্রয়গুলি সময়োপযোগী সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সরকারের উদ্যোগ হিসেবে দেখায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: ২৬ মরদেহ উদ্ধার

স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই এলএনজি কার্গো কেনার অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

গ্লোবাল জ্বালানির অস্থিরতার মধ্যে সরকার স্পট মার্কেট থেকে আরও দুইটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ধারা ১০৫(৩)(ক) অনুসারে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে এই ক্রয় সম্পন্ন হবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুমোদন পাওয়া যায়। বৈঠকটি প্রবীণ অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি কার্গোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা।

সরকারি তদবিরে জানানো হয়েছে, এলএনজি দুটি এপ্রিল মাসে দুটি দফায় দেশে পৌঁছাবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে ১০ম কার্গো ২৪–২৫ এপ্রিল এবং ১১তম কার্গো ২৭–২৮ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে এই দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস থেকে কেনা হচ্ছে। প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ মার্কিন ডলার, আর প্রতিটি কার্গোর জন্য ব্যয় ধার্য করা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং সেটি এলএনজি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এসেছে। এর ফলে স্পট মার্কেট থেকে গত কয়েক সময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।

এর আগেও বেশ কয়েক দফায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হয়েছে। গত ১১ মার্চ একই কমিটির বৈঠকে তিনটি কার্গো কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল—একটির মূল্য ছিল প্রতি এমএমবিটিইউ ২১ দশমিক ৫৮ ডলার এবং বাকি দুইটির মূল্য ছিল ২০ দশমিক ৭৬ ডলার। তার পূর্বে, এক সপ্তাহ আগের অনুমোদনে দুটি কার্গো নেওয়া হয়েছিল, যেখানে একটির দাম ছিল ২৮ দশমিক ২৮ ডলার এবং অন্যটির দাম ছিল ২৩ দশমিক ০৮ ডলার।

জ্বালানি বাজারের উত্থান-পতন এবং আন্তর্জাতিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই ক্রয়গুলি সময়োপযোগী সরবরাহ নিশ্চিতকরণে সরকারের উদ্যোগ হিসেবে দেখায়।