০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

পিএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিং, লাহোরের বড় জয়

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে দারুণ শুরু করেছে মুস্তাফিজুর রহমান ও পারভেজ হোসেন ইমনের দল লাহোর কালান্দার্স। হায়দরাবাদ কিংসকে হারিয়ে লাহোর ৬৯ রানের overtuিপক জয় তুলে নেয়। যেখানে ব্যাট হাতে পারভেজ ইমন বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি, বল হাতে মুস্তাফিজ ছিলেন অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও কার্যকর।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় লাহোর। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দলটি ১৯৯ রানের বড় স্কোর গড়েছিল। ওপেনার ফখর জামান সর্বোচ্চ ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন। মিড ওভারে দলকে শক্ত অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাঈম ৩০ রানের অপরিশ্রমে ইনিংস এবং শেষের দিকে হাসিবউল্লাহ খান ২৮ বলে অপরাজিত ৪০ রান করেছেন যা লাহোরকে বড় মোটে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সিকান্দার রাজা দুর্দান্ত ধাঁচে ১০ বলে ২৪ রানের এক ঝটিকা ইনিংসও উপহার দেন।

লাহোর innings-এ মাঝপথে কিছু দমবন্ধ করা সময়ও আসে; চার নম্বরে নামা বাংলাদেশের পারভেজ ইমন ১৩ বল খেলে ১৪ রানে আউট হন একটি টাইমিংয়ের ভুল ক্যাচ খেলায়। হায়দরাবাদের হয়ে রাইলি মেরেডিথ ও হাসান খান দুজনই দুটি করে উইকেট শিকার করেন এবং লাহোরের ব্যাটিং লাইন কিছুটা কাঁপিয়ে তোলেন।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে হায়দরাবাদ শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান করলেও ষষ্ঠ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান মাঠে নামার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। নিজের প্রথম স্পেলে দুই ওভারে মাত্র ৯ রান খরচা করে একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন তিনি; ইরফান খান তার গতির বৈচিত্র্যে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ১৯ রানে ১ উইকেট নেন—এই নিয়ন্ত্রিত বোলিংই হায়দরাবাদের বিপক্ষে বড় সুবিধা এনে দেয়।

হায়দরাবাদের সব ব্যাটারই বড় ইনিংসে যেতে পারেননি; মার্নাস লাবুশেনের ২৬ রানের ইনিংসই তাদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। দলটি নির্ধারিত লক্ষের বিপরীতে মাত্র ১৩০ রানে অলআউট হয়ে যায়। লাহোরের বোলিং তালিকায় হারিস রউফ, সিকান্দার রাজা ও উবাইদ শাহ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন এবং দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এই জয়ের মাধ্যমে গতবারের রানার্স-আপ লাহোর কালান্দার্স টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করে। মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত কাটার বোলিং এবং কয়েকজন ব্যাটারের সময়োপযোগী ইনিংসই লাহোরকে প্রথম ম্যাচে আত্মবিশ্বাসী জয় এনে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পিএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিং, লাহোরের বড় জয়

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে দারুণ শুরু করেছে মুস্তাফিজুর রহমান ও পারভেজ হোসেন ইমনের দল লাহোর কালান্দার্স। হায়দরাবাদ কিংসকে হারিয়ে লাহোর ৬৯ রানের overtuিপক জয় তুলে নেয়। যেখানে ব্যাট হাতে পারভেজ ইমন বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি, বল হাতে মুস্তাফিজ ছিলেন অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও কার্যকর।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় লাহোর। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দলটি ১৯৯ রানের বড় স্কোর গড়েছিল। ওপেনার ফখর জামান সর্বোচ্চ ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন। মিড ওভারে দলকে শক্ত অবস্থায় পৌঁছে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাঈম ৩০ রানের অপরিশ্রমে ইনিংস এবং শেষের দিকে হাসিবউল্লাহ খান ২৮ বলে অপরাজিত ৪০ রান করেছেন যা লাহোরকে বড় মোটে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সিকান্দার রাজা দুর্দান্ত ধাঁচে ১০ বলে ২৪ রানের এক ঝটিকা ইনিংসও উপহার দেন।

লাহোর innings-এ মাঝপথে কিছু দমবন্ধ করা সময়ও আসে; চার নম্বরে নামা বাংলাদেশের পারভেজ ইমন ১৩ বল খেলে ১৪ রানে আউট হন একটি টাইমিংয়ের ভুল ক্যাচ খেলায়। হায়দরাবাদের হয়ে রাইলি মেরেডিথ ও হাসান খান দুজনই দুটি করে উইকেট শিকার করেন এবং লাহোরের ব্যাটিং লাইন কিছুটা কাঁপিয়ে তোলেন।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে হায়দরাবাদ শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান করলেও ষষ্ঠ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান মাঠে নামার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। নিজের প্রথম স্পেলে দুই ওভারে মাত্র ৯ রান খরচা করে একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন তিনি; ইরফান খান তার গতির বৈচিত্র্যে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজ ৪ ওভারে ১৯ রানে ১ উইকেট নেন—এই নিয়ন্ত্রিত বোলিংই হায়দরাবাদের বিপক্ষে বড় সুবিধা এনে দেয়।

হায়দরাবাদের সব ব্যাটারই বড় ইনিংসে যেতে পারেননি; মার্নাস লাবুশেনের ২৬ রানের ইনিংসই তাদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। দলটি নির্ধারিত লক্ষের বিপরীতে মাত্র ১৩০ রানে অলআউট হয়ে যায়। লাহোরের বোলিং তালিকায় হারিস রউফ, সিকান্দার রাজা ও উবাইদ শাহ প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন এবং দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এই জয়ের মাধ্যমে গতবারের রানার্স-আপ লাহোর কালান্দার্স টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করে। মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত কাটার বোলিং এবং কয়েকজন ব্যাটারের সময়োপযোগী ইনিংসই লাহোরকে প্রথম ম্যাচে আত্মবিশ্বাসী জয় এনে দিয়েছে।