১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

ভূমিমন্ত্রী: হাসিনা আমলের ‘হেলমেট বাহিনী’ এখন ‘গুপ্ত বাহিনী’

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, যে ‘হেলমেট বাহিনী’ আগে আওয়ামী শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন করত, তারা এখন গোপনভাবে ‘গুপ্ত বাহিনী’ হিসেবে কার্যক্রম চালিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই গোষ্ঠী বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও মব সৃষ্টি করে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। অনুষ্ঠানে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য এই গুপ্ত বাহিনীর দায়িত্ব প্রাধান্য দিয়েছেন।

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর সেই হেলমেট বাহিনীর সদস্যরা এখন গুপ্ত বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের বর্তমান অস্থিতিশীলতার পেছনে তাদের হাত রয়েছে।’’

তিনি নিজের বক্তব্যে স্বাধীনতা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আমাদের ঘোষণা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরা কোনো ‘প্রভু’ নয়, বরং ‘বন্ধুত্বে’ বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষই আমাদের মূল শক্তি।’’

আলোচনাসভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেবাশীষ রায় মধু, জেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন প্রমুখ।

আলোচনাসভার অন্যান্য বক্তব্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সংগঠনের শক্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও সাংগঠনিক প্রস্তুতির আহ্বান করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী: হাসিনা আমলের ‘হেলমেট বাহিনী’ এখন ‘গুপ্ত বাহিনী’

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, যে ‘হেলমেট বাহিনী’ আগে আওয়ামী শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন করত, তারা এখন গোপনভাবে ‘গুপ্ত বাহিনী’ হিসেবে কার্যক্রম চালিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই গোষ্ঠী বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও মব সৃষ্টি করে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। অনুষ্ঠানে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য এই গুপ্ত বাহিনীর দায়িত্ব প্রাধান্য দিয়েছেন।

ভূমিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর সেই হেলমেট বাহিনীর সদস্যরা এখন গুপ্ত বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের বর্তমান অস্থিতিশীলতার পেছনে তাদের হাত রয়েছে।’’

তিনি নিজের বক্তব্যে স্বাধীনতা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আমাদের ঘোষণা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরা কোনো ‘প্রভু’ নয়, বরং ‘বন্ধুত্বে’ বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষই আমাদের মূল শক্তি।’’

আলোচনাসভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেবাশীষ রায় মধু, জেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন প্রমুখ।

আলোচনাসভার অন্যান্য বক্তব্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সংগঠনের শক্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও সাংগঠনিক প্রস্তুতির আহ্বান করা হয়।