০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুই ট্যাংকার এসে পৌঁছল

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার পৌঁছেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিপ্যাক ও ভিটল এশিয়া কোম্পানির সরবরাহকৃত এই জাহাজের মধ্যে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজে ৩৩ হাজার টন এবং ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজে ৩৫ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্নোঙরে ট্যাংকার দুটির কিছু অংশ খালাস করা হবে এবং এরপর জাহাজগুলো ডলফিন জেটে অবস্থান নিয়ে বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে তেল ভরের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে Hafen কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দৈনিক ডিজেলের গড় চাহিদা ১১ হাজার টনেরও বেশি। গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মজুত ছিল প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার টন ডিজেল, যা তখনকার হিসাব অনুযায়ী মাত্র ১০ দিনের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত ছিল। নতুন এই বিশাল চালানের ফলে জাতীয় মজুত অন্তত আরও দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, ‘ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ তিনি আরও বলেন, নিয়মিত সরবরাহকারীদের বাইরে বিকল্প আমদানির পথও সচল রাখার ফলে ভোগান্তি কমছে।

সরবরাহকারী জাহাজগুলোর আগমন অব্যাহত থাকায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহের সামঞ্জস্য বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নতুন চালানগুলি সময়মতো ছাড়লে বাজারে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি ন্যূনতম থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুই ট্যাংকার এসে পৌঁছল

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার পৌঁছেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিপ্যাক ও ভিটল এশিয়া কোম্পানির সরবরাহকৃত এই জাহাজের মধ্যে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজে ৩৩ হাজার টন এবং ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজে ৩৫ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্নোঙরে ট্যাংকার দুটির কিছু অংশ খালাস করা হবে এবং এরপর জাহাজগুলো ডলফিন জেটে অবস্থান নিয়ে বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে তেল ভরের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে Hafen কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দৈনিক ডিজেলের গড় চাহিদা ১১ হাজার টনেরও বেশি। গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মজুত ছিল প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার টন ডিজেল, যা তখনকার হিসাব অনুযায়ী মাত্র ১০ দিনের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত ছিল। নতুন এই বিশাল চালানের ফলে জাতীয় মজুত অন্তত আরও দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, ‘ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ তিনি আরও বলেন, নিয়মিত সরবরাহকারীদের বাইরে বিকল্প আমদানির পথও সচল রাখার ফলে ভোগান্তি কমছে।

সরবরাহকারী জাহাজগুলোর আগমন অব্যাহত থাকায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহের সামঞ্জস্য বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নতুন চালানগুলি সময়মতো ছাড়লে বাজারে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি ন্যূনতম থাকবে।