০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুই ট্যাংকার এসে পৌঁছল

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার পৌঁছেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিপ্যাক ও ভিটল এশিয়া কোম্পানির সরবরাহকৃত এই জাহাজের মধ্যে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজে ৩৩ হাজার টন এবং ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজে ৩৫ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্নোঙরে ট্যাংকার দুটির কিছু অংশ খালাস করা হবে এবং এরপর জাহাজগুলো ডলফিন জেটে অবস্থান নিয়ে বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে তেল ভরের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে Hafen কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দৈনিক ডিজেলের গড় চাহিদা ১১ হাজার টনেরও বেশি। গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মজুত ছিল প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার টন ডিজেল, যা তখনকার হিসাব অনুযায়ী মাত্র ১০ দিনের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত ছিল। নতুন এই বিশাল চালানের ফলে জাতীয় মজুত অন্তত আরও দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, ‘ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ তিনি আরও বলেন, নিয়মিত সরবরাহকারীদের বাইরে বিকল্প আমদানির পথও সচল রাখার ফলে ভোগান্তি কমছে।

সরবরাহকারী জাহাজগুলোর আগমন অব্যাহত থাকায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহের সামঞ্জস্য বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নতুন চালানগুলি সময়মতো ছাড়লে বাজারে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি ন্যূনতম থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

চট্টগ্রাম বন্দরে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুই ট্যাংকার এসে পৌঁছল

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে মঙ্গলবার মধ্যরাতে ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার পৌঁছেছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিপ্যাক ও ভিটল এশিয়া কোম্পানির সরবরাহকৃত এই জাহাজের মধ্যে ‘এমটি টর্ম দামিনি’ জাহাজে ৩৩ হাজার টন এবং ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজে ৩৫ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বহির্নোঙরে ট্যাংকার দুটির কিছু অংশ খালাস করা হবে এবং এরপর জাহাজগুলো ডলফিন জেটে অবস্থান নিয়ে বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে তেল ভরের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে Hafen কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দৈনিক ডিজেলের গড় চাহিদা ১১ হাজার টনেরও বেশি। গত ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মজুত ছিল প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার টন ডিজেল, যা তখনকার হিসাব অনুযায়ী মাত্র ১০ দিনের চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত ছিল। নতুন এই বিশাল চালানের ফলে জাতীয় মজুত অন্তত আরও দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, ‘ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।’ তিনি আরও বলেন, নিয়মিত সরবরাহকারীদের বাইরে বিকল্প আমদানির পথও সচল রাখার ফলে ভোগান্তি কমছে।

সরবরাহকারী জাহাজগুলোর আগমন অব্যাহত থাকায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহের সামঞ্জস্য বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। নতুন চালানগুলি সময়মতো ছাড়লে বাজারে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি ন্যূনতম থাকবে।