১১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

সরকার প্রতি বছর ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে রাতে সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি বলেন, ৭ নভেম্বরকে পূর্বের মতো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে, তাই সরকারি ছুটি থাকবে। তিনি জানান, এ দিবসটি আগে পালন করা হতো, পরে প্রায় ১৬ বছর ধরে তা পালন করা হয়নি এবং এখন আবার এটাকে ফেরত আনা হচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধের সাবেক এক সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাশুধার প্রয়াসে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন।

তারপর ৭ নভেম্বরে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে একটি পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে, যার ফলে জিয়াউর রহমান আটকাবস্থা থেকে মুক্ত হন এবং ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে উঠে আসেন। বিএনপি ঐ দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে এসেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ দিবসটি পালন না করা হয়েছিল। এবার মন্ত্রিসভা পুনরায় দিবসটি সরকারি ছুটিসহ পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সরকার প্রতি বছর ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে রাতে সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি বলেন, ৭ নভেম্বরকে পূর্বের মতো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে, তাই সরকারি ছুটি থাকবে। তিনি জানান, এ দিবসটি আগে পালন করা হতো, পরে প্রায় ১৬ বছর ধরে তা পালন করা হয়নি এবং এখন আবার এটাকে ফেরত আনা হচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধের সাবেক এক সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাশুধার প্রয়াসে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন।

তারপর ৭ নভেম্বরে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে একটি পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে, যার ফলে জিয়াউর রহমান আটকাবস্থা থেকে মুক্ত হন এবং ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে উঠে আসেন। বিএনপি ঐ দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে এসেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ দিবসটি পালন না করা হয়েছিল। এবার মন্ত্রিসভা পুনরায় দিবসটি সরকারি ছুটিসহ পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।