১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ

কালবৈশাখীতে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু

সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ঘটনার সময় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ধর্মপাশায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন হবিবুর রহমান (২২) এবং রহমত উল্লাহ (১৩)। হবিবুর পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে, তিনি বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে।

তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের একটি হাঁসের খামারের সামনে বজ্রপাতে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮) নিহত হন। তিনি ওই খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনায় নূর মোহাম্মদ (২৪) নামের আরও এক কর্মী গুরুতর আহত হন এবং চিকিৎসার জন্য নম্বর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামে পাগনার হাওরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নুরুজ্জামান ও তার চাচাতো ভাই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন; তার চাচাতো ভাই বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

দিরাই উপজেলার চরনাচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের লিটন মিয়া হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিহত হন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বজ্রঝড় ও কালবৈশাখী সময়ে খোলা জায়গায় কাজ বা অবস্থান করা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। তারা স্থানীয়দের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

কালবৈশাখীতে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ঘটনার সময় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ধর্মপাশায় বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন হবিবুর রহমান (২২) এবং রহমত উল্লাহ (১৩)। হবিবুর পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের ফজলু রহমানের ছেলে, তিনি বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর গ্রামের জয়নাল হকের ছেলে।

তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের একটি হাঁসের খামারের সামনে বজ্রপাতে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮) নিহত হন। তিনি ওই খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনায় নূর মোহাম্মদ (২৪) নামের আরও এক কর্মী গুরুতর আহত হন এবং চিকিৎসার জন্য নম্বর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামে পাগনার হাওরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নুরুজ্জামান ও তার চাচাতো ভাই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন; তার চাচাতো ভাই বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

দিরাই উপজেলার চরনাচর ইউনিয়নের পেরুয়া গ্রামের লিটন মিয়া হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিহত হন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বজ্রঝড় ও কালবৈশাখী সময়ে খোলা জায়গায় কাজ বা অবস্থান করা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। তারা স্থানীয়দের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।