১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এনসিপি-যোগী বৈষম্যবিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রতি কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা, প্রজ্ঞাপন জারি বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিং ঘোষণা দ্বিতীয় তেল শোধনাগার জরুরি: সেনাপ্রধান জাতীয় সংসদের গ্যালারি সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন

শিশুদের সুরক্ষায় দেবীগঞ্জে হাম প্রতিরোধে আলোচনা, টিকাদানে জোরদার আহ্বান

শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ হাম (মিজেলস) থেকে রক্ষা করতে দেবীগঞ্জে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে একটি সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার নয়—মূল লেখায় বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল উল্লেখ আছে; অনুষ্ঠানের সময় ছিল দুপুর ৩টা—ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা হাম রোগের ঝুঁকি, রোগ প্রতিরোধের উপায় এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেবীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক সভায় বলেন, যদিও হাম একটি সংক্রামক রোগ, সময়মতো টিকা প্রদান ও জনসচেতনতা বাড়ালে এটি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদের টিকাদানে নিয়মিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমন ধর। তিনি হাম রোগের লক্ষণ, সম্ভাব্য জটিলতা এবং প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেন। দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম মালিকও সভায় সবাইকে একযোগে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও মাঠ স্তরে কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু নোমান মো. ইফতেখারুল তৌহিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার শাহ রাশেদুল হক, এলাকার মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা এবং গ্রামে-ওড়ায় সচেতনতা বাড়ানো অত্যাবশ্যক।

সভা শেষে উপস্থিত অভিভাবকদের মাঝে সতর্কতামূলক বার্তা দেওয়া হয় এবং শিশুশিশুদের নিয়মিত টিকাদানে উৎসাহিত করা হয়। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রতি কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা, প্রজ্ঞাপন জারি

শিশুদের সুরক্ষায় দেবীগঞ্জে হাম প্রতিরোধে আলোচনা, টিকাদানে জোরদার আহ্বান

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ হাম (মিজেলস) থেকে রক্ষা করতে দেবীগঞ্জে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে একটি সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার নয়—মূল লেখায় বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল উল্লেখ আছে; অনুষ্ঠানের সময় ছিল দুপুর ৩টা—ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা হাম রোগের ঝুঁকি, রোগ প্রতিরোধের উপায় এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেবীগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক সভায় বলেন, যদিও হাম একটি সংক্রামক রোগ, সময়মতো টিকা প্রদান ও জনসচেতনতা বাড়ালে এটি সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদের টিকাদানে নিয়মিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমন ধর। তিনি হাম রোগের লক্ষণ, সম্ভাব্য জটিলতা এবং প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেন। দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম মালিকও সভায় সবাইকে একযোগে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও মাঠ স্তরে কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আবু নোমান মো. ইফতেখারুল তৌহিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার শাহ রাশেদুল হক, এলাকার মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা এবং গ্রামে-ওড়ায় সচেতনতা বাড়ানো অত্যাবশ্যক।

সভা শেষে উপস্থিত অভিভাবকদের মাঝে সতর্কতামূলক বার্তা দেওয়া হয় এবং শিশুশিশুদের নিয়মিত টিকাদানে উৎসাহিত করা হয়। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়।