০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাত্র ১ রানে সুপার ওভারে কলকাতার নাটকীয় জয়

ক্রিকেটদুনিয়ায় আইপিএলের এক দাগ কাটা সন্ধ্যা—লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে মাত্র ১ রানের সুপার ওভারে নাটকীয় জয় উদযাপন করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টুর্নামেন্টে এটা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম রানের সুপার ওভার হিসেবে ইতিহাসে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামেন লখনউয়ের নিকোলাস পুরান ও এইডেন মার্করাম; কলকাতার হয়ে বল করে অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারিন। নারিনের প্রথম বলে পুরানকে বোল্ড করে লখনউর পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। পরের বলে রিশাভ পান্ত একটি এক রান নেন, কিন্তু তৃতীয় বলে মার্করাম ক্যাচ হয়ে আউট হলে লখনউর সুপার ওভার ইনিংস ছিল হিসেব কষে মাত্র ১ রান দিয়ে শেষ।

জয়ের জন্য মাত্র ২ রানের লক্ষ্যে নামা কলকাতার জন্য রিংকু সিংই হীরা হয়ে উঠলেন—প্রথম বলেই এক ঝটকা বাউন্ডারি মেরে কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন। অ্যাড্রেনালিন-ভরা সেই মুহূর্ত দেখে কোর্টের বাইরে থেকে ভিড়ও উদ্দাম আনন্দে ফেটে পড়ে।

নাটকীয়তা কিন্তু কেবল সুপার ওভারে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাধারণ ২০ ওভারের লড়াইটা ছিল গতিশীল ও উত্সাহব্যাঞ্জক। টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে কলকাতা ৭ উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে (কোলকাতা ১৫৫/৭)। লখনউয়ের কাছে জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৫৬।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত ছিল—শেষ ৫ ওভারে লখনউকে জয় পেতে ছিল ৬৪ রানের প্রয়োজন। আয়ুশ বাদোনি ও হিম্মদ সিংয়ের ঝড়ো ব্যাটিং দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। শেষ ওভারে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ রানের; ওই ওভারটায় দুটি নো-বল ও একটি বাউন্ডারি থাকায় চূড়ান্ত বল পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় ছিল। শেষ বলে মোহাম্মদ শামি লং-অফে ছক্কা মেরে টানটি সরান এবং ম্যাচ টাই করেন, যার ফলেই প্রয়োজন পড়ে সুপার ওভারে।

দলের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে রিংকু সিং উঠে এলেন প্রধান নায়কের মতো—৫১ বলে অসাধারণ ৮৩ রান করে দলকে ভরসা দিলেন। লখনউয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে রিশাভ পান্ত। এই শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের পর কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে উঠে আসে; অন্যদিকে লখনউ সুপার জায়ান্টস ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তলানিতে রয়েছে।

সারমর্মে বলা যায়—নারিনের কফিন-নখের মতো বদনাম না করে দেওয়া স্পেল এবং রিংকু সিংয়ের উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিং মিশিয়ে কলকাতার জন্য এটা এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক জয় হয়ে রইল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মাত্র ১ রানে সুপার ওভারে কলকাতার নাটকীয় জয়

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ক্রিকেটদুনিয়ায় আইপিএলের এক দাগ কাটা সন্ধ্যা—লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে মাত্র ১ রানের সুপার ওভারে নাটকীয় জয় উদযাপন করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টুর্নামেন্টে এটা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম রানের সুপার ওভার হিসেবে ইতিহাসে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামেন লখনউয়ের নিকোলাস পুরান ও এইডেন মার্করাম; কলকাতার হয়ে বল করে অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারিন। নারিনের প্রথম বলে পুরানকে বোল্ড করে লখনউর পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। পরের বলে রিশাভ পান্ত একটি এক রান নেন, কিন্তু তৃতীয় বলে মার্করাম ক্যাচ হয়ে আউট হলে লখনউর সুপার ওভার ইনিংস ছিল হিসেব কষে মাত্র ১ রান দিয়ে শেষ।

জয়ের জন্য মাত্র ২ রানের লক্ষ্যে নামা কলকাতার জন্য রিংকু সিংই হীরা হয়ে উঠলেন—প্রথম বলেই এক ঝটকা বাউন্ডারি মেরে কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন। অ্যাড্রেনালিন-ভরা সেই মুহূর্ত দেখে কোর্টের বাইরে থেকে ভিড়ও উদ্দাম আনন্দে ফেটে পড়ে।

নাটকীয়তা কিন্তু কেবল সুপার ওভারে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাধারণ ২০ ওভারের লড়াইটা ছিল গতিশীল ও উত্সাহব্যাঞ্জক। টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে কলকাতা ৭ উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে (কোলকাতা ১৫৫/৭)। লখনউয়ের কাছে জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৫৬।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত ছিল—শেষ ৫ ওভারে লখনউকে জয় পেতে ছিল ৬৪ রানের প্রয়োজন। আয়ুশ বাদোনি ও হিম্মদ সিংয়ের ঝড়ো ব্যাটিং দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। শেষ ওভারে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ রানের; ওই ওভারটায় দুটি নো-বল ও একটি বাউন্ডারি থাকায় চূড়ান্ত বল পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় ছিল। শেষ বলে মোহাম্মদ শামি লং-অফে ছক্কা মেরে টানটি সরান এবং ম্যাচ টাই করেন, যার ফলেই প্রয়োজন পড়ে সুপার ওভারে।

দলের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে রিংকু সিং উঠে এলেন প্রধান নায়কের মতো—৫১ বলে অসাধারণ ৮৩ রান করে দলকে ভরসা দিলেন। লখনউয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে রিশাভ পান্ত। এই শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের পর কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে উঠে আসে; অন্যদিকে লখনউ সুপার জায়ান্টস ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তলানিতে রয়েছে।

সারমর্মে বলা যায়—নারিনের কফিন-নখের মতো বদনাম না করে দেওয়া স্পেল এবং রিংকু সিংয়ের উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিং মিশিয়ে কলকাতার জন্য এটা এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক জয় হয়ে রইল।