১১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মাত্র ১ রানে সুপার ওভারে কলকাতার নাটকীয় জয়

ক্রিকেটদুনিয়ায় আইপিএলের এক দাগ কাটা সন্ধ্যা—লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে মাত্র ১ রানের সুপার ওভারে নাটকীয় জয় উদযাপন করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টুর্নামেন্টে এটা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম রানের সুপার ওভার হিসেবে ইতিহাসে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামেন লখনউয়ের নিকোলাস পুরান ও এইডেন মার্করাম; কলকাতার হয়ে বল করে অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারিন। নারিনের প্রথম বলে পুরানকে বোল্ড করে লখনউর পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। পরের বলে রিশাভ পান্ত একটি এক রান নেন, কিন্তু তৃতীয় বলে মার্করাম ক্যাচ হয়ে আউট হলে লখনউর সুপার ওভার ইনিংস ছিল হিসেব কষে মাত্র ১ রান দিয়ে শেষ।

জয়ের জন্য মাত্র ২ রানের লক্ষ্যে নামা কলকাতার জন্য রিংকু সিংই হীরা হয়ে উঠলেন—প্রথম বলেই এক ঝটকা বাউন্ডারি মেরে কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন। অ্যাড্রেনালিন-ভরা সেই মুহূর্ত দেখে কোর্টের বাইরে থেকে ভিড়ও উদ্দাম আনন্দে ফেটে পড়ে।

নাটকীয়তা কিন্তু কেবল সুপার ওভারে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাধারণ ২০ ওভারের লড়াইটা ছিল গতিশীল ও উত্সাহব্যাঞ্জক। টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে কলকাতা ৭ উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে (কোলকাতা ১৫৫/৭)। লখনউয়ের কাছে জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৫৬।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত ছিল—শেষ ৫ ওভারে লখনউকে জয় পেতে ছিল ৬৪ রানের প্রয়োজন। আয়ুশ বাদোনি ও হিম্মদ সিংয়ের ঝড়ো ব্যাটিং দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। শেষ ওভারে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ রানের; ওই ওভারটায় দুটি নো-বল ও একটি বাউন্ডারি থাকায় চূড়ান্ত বল পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় ছিল। শেষ বলে মোহাম্মদ শামি লং-অফে ছক্কা মেরে টানটি সরান এবং ম্যাচ টাই করেন, যার ফলেই প্রয়োজন পড়ে সুপার ওভারে।

দলের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে রিংকু সিং উঠে এলেন প্রধান নায়কের মতো—৫১ বলে অসাধারণ ৮৩ রান করে দলকে ভরসা দিলেন। লখনউয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে রিশাভ পান্ত। এই শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের পর কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে উঠে আসে; অন্যদিকে লখনউ সুপার জায়ান্টস ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তলানিতে রয়েছে।

সারমর্মে বলা যায়—নারিনের কফিন-নখের মতো বদনাম না করে দেওয়া স্পেল এবং রিংকু সিংয়ের উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিং মিশিয়ে কলকাতার জন্য এটা এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক জয় হয়ে রইল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মাত্র ১ রানে সুপার ওভারে কলকাতার নাটকীয় জয়

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ক্রিকেটদুনিয়ায় আইপিএলের এক দাগ কাটা সন্ধ্যা—লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারিয়ে মাত্র ১ রানের সুপার ওভারে নাটকীয় জয় উদযাপন করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টুর্নামেন্টে এটা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম রানের সুপার ওভার হিসেবে ইতিহাসে রেকর্ড হয়ে থাকবে।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামেন লখনউয়ের নিকোলাস পুরান ও এইডেন মার্করাম; কলকাতার হয়ে বল করে অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারিন। নারিনের প্রথম বলে পুরানকে বোল্ড করে লখনউর পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগে। পরের বলে রিশাভ পান্ত একটি এক রান নেন, কিন্তু তৃতীয় বলে মার্করাম ক্যাচ হয়ে আউট হলে লখনউর সুপার ওভার ইনিংস ছিল হিসেব কষে মাত্র ১ রান দিয়ে শেষ।

জয়ের জন্য মাত্র ২ রানের লক্ষ্যে নামা কলকাতার জন্য রিংকু সিংই হীরা হয়ে উঠলেন—প্রথম বলেই এক ঝটকা বাউন্ডারি মেরে কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন। অ্যাড্রেনালিন-ভরা সেই মুহূর্ত দেখে কোর্টের বাইরে থেকে ভিড়ও উদ্দাম আনন্দে ফেটে পড়ে।

নাটকীয়তা কিন্তু কেবল সুপার ওভারে সীমাবদ্ধ ছিল না। সাধারণ ২০ ওভারের লড়াইটা ছিল গতিশীল ও উত্সাহব্যাঞ্জক। টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে কলকাতা ৭ উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে (কোলকাতা ১৫৫/৭)। লখনউয়ের কাছে জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৫৬।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত ছিল—শেষ ৫ ওভারে লখনউকে জয় পেতে ছিল ৬৪ রানের প্রয়োজন। আয়ুশ বাদোনি ও হিম্মদ সিংয়ের ঝড়ো ব্যাটিং দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। শেষ ওভারে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ রানের; ওই ওভারটায় দুটি নো-বল ও একটি বাউন্ডারি থাকায় চূড়ান্ত বল পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় ছিল। শেষ বলে মোহাম্মদ শামি লং-অফে ছক্কা মেরে টানটি সরান এবং ম্যাচ টাই করেন, যার ফলেই প্রয়োজন পড়ে সুপার ওভারে।

দলের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে রিংকু সিং উঠে এলেন প্রধান নায়কের মতো—৫১ বলে অসাধারণ ৮৩ রান করে দলকে ভরসা দিলেন। লখনউয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে রিশাভ পান্ত। এই শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের পর কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে উঠে আসে; অন্যদিকে লখনউ সুপার জায়ান্টস ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের তলানিতে রয়েছে।

সারমর্মে বলা যায়—নারিনের কফিন-নখের মতো বদনাম না করে দেওয়া স্পেল এবং রিংকু সিংয়ের উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিং মিশিয়ে কলকাতার জন্য এটা এক স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক জয় হয়ে রইল।