১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু ঋণের জালে চিড়েচ্যাপ্টা অর্থনীতি — কর বাড়ছে জনগণের কাঁধে ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত — একটি সংসার নিভে গেল মেটাল কার্ডের প্রলোভন থেকে সতর্ক করলেন বাংলাদেশ ব্যাংক ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত, নিভে গেল একটি সংসার ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার অবসরে; দায়িত্বে এস এন নজরুল ইসলাম তথ্য স্বচ্ছ না হলে সন্দেহ তৈরি হয়: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ: ভোটার এখন ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ কুমিল্লায় নতুন ওয়াসা গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত শাপলা চত্বরের হত্যাযজ্ঞ: দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে হাজির

এক ম্যাচ হাতে রেখেই বসুন্ধরা কিংস লিগজয় নিশ্চিত, আবাহনীকে ২-০ হারাল

কুমিল্লার ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে হাজারো দর্শকের সামনে বসুন্ধরা কিংস এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে আবাহনী লিমিটেডকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করল। লিগে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ১৬ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল দলটি। আগে তারা টানা পাঁচবার লিগজয় করার অনন্য রেকর্ড করেছিল।

আজকের ফলের ফলে সমান ১৭ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থেকে রইল যথাক্রমে আবাহনী ও ফর্টিস।

ম্যাচ শুরু থেকেই গ্যালারিতে উন্মাদনা ছিল প্রবল। তবে খেলায় দীর্ঘ সময় গোলের দেখা না পাওয়ায় উত্তেজনা বেড়েই চলছিল। নির্ধারিত সময়ের শেষ ১৫ মিনিট বাকি থাকতেই মোড়টি ঘুরে যায় — ডি-বক্সের ভেতর আবাহনীর দুই ডিফেন্ডার ফাহিমকে বাধা দিলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দরিয়েলতন শান্ত ও নিখুঁত এক শটে পেনাল্টি গোল করে কিংসকে এগিয়ে দেন। স্টেডিয়াম জুড়ে তখন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

কয়েক মিনিট পরই, ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে সোহেল রানার দ্রæতগতির শটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় এবং সেই মুহূর্তেই বসুন্ধরার শিরোপা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

পিছিয়ে থাকা আবাহনী ম্যাচের শেষ দিকে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। ৮৫ মিনিটে এমেকা ওগবুগ একক নৈপুণ্যে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সের সামনে পৌঁছেছিলেন, কিন্তু তাঁর শট বারের ওপর দিয়ে চলে যাওয়ায় ব্যবধান কমানো সম্ভব হয়নি। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তেও সুলেমান দিয়াবাতের একটি পাস সরাসরি গোলরক্ষক শ্রাবণের হাতে গিয়ে থামে এবং আবাহনীকে গোলবঞ্চিত থাকতে হয়।

রেফারির শেষ বাঁশি বাজলে খেলোয়াড়রা ও সমর্থকরা একসাথে আনন্দে উল্লাসে মাতেন; মাঠে নেমে অনেকে দলকে অভিনন্দন জানান। ঐতিহ্যবাহী এই জয় বসুন্ধরা কিংসের জন্য নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঋণের জালে চিড়েচ্যাপ্টা অর্থনীতি — কর বাড়ছে জনগণের কাঁধে

এক ম্যাচ হাতে রেখেই বসুন্ধরা কিংস লিগজয় নিশ্চিত, আবাহনীকে ২-০ হারাল

প্রকাশিতঃ ০২:২২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

কুমিল্লার ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে হাজারো দর্শকের সামনে বসুন্ধরা কিংস এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে আবাহনী লিমিটেডকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করল। লিগে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ১৬ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল দলটি। আগে তারা টানা পাঁচবার লিগজয় করার অনন্য রেকর্ড করেছিল।

আজকের ফলের ফলে সমান ১৭ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থেকে রইল যথাক্রমে আবাহনী ও ফর্টিস।

ম্যাচ শুরু থেকেই গ্যালারিতে উন্মাদনা ছিল প্রবল। তবে খেলায় দীর্ঘ সময় গোলের দেখা না পাওয়ায় উত্তেজনা বেড়েই চলছিল। নির্ধারিত সময়ের শেষ ১৫ মিনিট বাকি থাকতেই মোড়টি ঘুরে যায় — ডি-বক্সের ভেতর আবাহনীর দুই ডিফেন্ডার ফাহিমকে বাধা দিলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দরিয়েলতন শান্ত ও নিখুঁত এক শটে পেনাল্টি গোল করে কিংসকে এগিয়ে দেন। স্টেডিয়াম জুড়ে তখন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।

কয়েক মিনিট পরই, ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে সোহেল রানার দ্রæতগতির শটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় এবং সেই মুহূর্তেই বসুন্ধরার শিরোপা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

পিছিয়ে থাকা আবাহনী ম্যাচের শেষ দিকে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। ৮৫ মিনিটে এমেকা ওগবুগ একক নৈপুণ্যে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সের সামনে পৌঁছেছিলেন, কিন্তু তাঁর শট বারের ওপর দিয়ে চলে যাওয়ায় ব্যবধান কমানো সম্ভব হয়নি। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তেও সুলেমান দিয়াবাতের একটি পাস সরাসরি গোলরক্ষক শ্রাবণের হাতে গিয়ে থামে এবং আবাহনীকে গোলবঞ্চিত থাকতে হয়।

রেফারির শেষ বাঁশি বাজলে খেলোয়াড়রা ও সমর্থকরা একসাথে আনন্দে উল্লাসে মাতেন; মাঠে নেমে অনেকে দলকে অভিনন্দন জানান। ঐতিহ্যবাহী এই জয় বসুন্ধরা কিংসের জন্য নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে মনে করা হচ্ছে।