০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫ দুই দিনব্যাপী সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু — একযোগে প্রায় ৩৭,৫০০ যাত্রী পাবেন উচ্চগতির ইন্টারনেট শাহরাস্তিতে সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তিন প্রতিমন্ত্রী কর্ণফুলী ড্রাই ডক পরিদর্শনে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করার আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান চাঁদপুর শাহরাস্তিতে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সমাবেশ হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু ঋণের জালে চিড়েচ্যাপ্টা অর্থনীতি — কর বাড়ছে জনগণের কাঁধে

মির্জা ফখরুল: আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট নীতির কারণে দেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের ফলে দেশের জনগণ তাদের ন্যায্য পানির অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ১৬ মে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, 당시 আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছিল, যার প্রভাব আজও বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

মির্জা ফখরুল স্মরণ করেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকেই সারাদেশ থেকে লাখো মানুষ গঙ্গার পানি থেকে ন্যায্য অংশ দাবিতে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেন। তিনি বলেন, সেই আন্দোলন শুধু প্রতিবাদই ছিল না, তা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের মধ্য দিয়ে ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব তুলে ধরে।

তিনি আরও জানান, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় ‘মরুভূমির’ মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে; পরিবেশগত ভারসাম্য হারিয়ে গেছে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, তখনকার সরকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে উপেক্ষা করে পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল, আর আজ সেই বাঁধকে তিনি ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ভারত আন্তর্জাতিক বিধি-কানুন ও কনভেনশনের প্রতি উদাসীনভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে অববাহিকা ভাগ করে থাকা ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ ও একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফারাক্কা দিবসকে এখনও প্রাসঙ্গিক আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই দিবসটি অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জনগণকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করে বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজস্ব স্বার্থের জন্য সচেতনভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দুই দিনব্যাপী সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি

মির্জা ফখরুল: আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট নীতির কারণে দেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের ফলে দেশের জনগণ তাদের ন্যায্য পানির অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ১৬ মে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, 당시 আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছিল, যার প্রভাব আজও বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

মির্জা ফখরুল স্মরণ করেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকেই সারাদেশ থেকে লাখো মানুষ গঙ্গার পানি থেকে ন্যায্য অংশ দাবিতে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেন। তিনি বলেন, সেই আন্দোলন শুধু প্রতিবাদই ছিল না, তা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের মধ্য দিয়ে ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব তুলে ধরে।

তিনি আরও জানান, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় ‘মরুভূমির’ মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে; পরিবেশগত ভারসাম্য হারিয়ে গেছে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, তখনকার সরকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে উপেক্ষা করে পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল, আর আজ সেই বাঁধকে তিনি ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ভারত আন্তর্জাতিক বিধি-কানুন ও কনভেনশনের প্রতি উদাসীনভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে অববাহিকা ভাগ করে থাকা ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ ও একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফারাক্কা দিবসকে এখনও প্রাসঙ্গিক আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই দিবসটি অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জনগণকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করে বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজস্ব স্বার্থের জন্য সচেতনভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।