০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মির্জা ফখরুল: আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট নীতির কারণে দেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের ফলে দেশের জনগণ তাদের ন্যায্য পানির অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ১৬ মে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, 당시 আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছিল, যার প্রভাব আজও বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

মির্জা ফখরুল স্মরণ করেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকেই সারাদেশ থেকে লাখো মানুষ গঙ্গার পানি থেকে ন্যায্য অংশ দাবিতে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেন। তিনি বলেন, সেই আন্দোলন শুধু প্রতিবাদই ছিল না, তা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের মধ্য দিয়ে ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব তুলে ধরে।

তিনি আরও জানান, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় ‘মরুভূমির’ মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে; পরিবেশগত ভারসাম্য হারিয়ে গেছে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, তখনকার সরকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে উপেক্ষা করে পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল, আর আজ সেই বাঁধকে তিনি ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ভারত আন্তর্জাতিক বিধি-কানুন ও কনভেনশনের প্রতি উদাসীনভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে অববাহিকা ভাগ করে থাকা ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ ও একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফারাক্কা দিবসকে এখনও প্রাসঙ্গিক আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই দিবসটি অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জনগণকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করে বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজস্ব স্বার্থের জন্য সচেতনভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মির্জা ফখরুল: আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট নীতির কারণে দেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ও সিদ্ধান্তের ফলে দেশের জনগণ তাদের ন্যায্য পানির অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ১৬ মে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, 당시 আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়ে দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করেছিল, যার প্রভাব আজও বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

মির্জা ফখরুল স্মরণ করেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ডাকেই সারাদেশ থেকে লাখো মানুষ গঙ্গার পানি থেকে ন্যায্য অংশ দাবিতে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চে অংশ নেন। তিনি বলেন, সেই আন্দোলন শুধু প্রতিবাদই ছিল না, তা আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের মধ্য দিয়ে ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব তুলে ধরে।

তিনি আরও জানান, ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল প্রায় ‘মরুভূমির’ মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে; পরিবেশগত ভারসাম্য হারিয়ে গেছে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, তখনকার সরকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে উপেক্ষা করে পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল, আর আজ সেই বাঁধকে তিনি ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ভারত আন্তর্জাতিক বিধি-কানুন ও কনভেনশনের প্রতি উদাসীনভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে অববাহিকা ভাগ করে থাকা ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ ও একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করছে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফারাক্কা দিবসকে এখনও প্রাসঙ্গিক আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই দিবসটি অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জনগণকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করে বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজস্ব স্বার্থের জন্য সচেতনভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।