০৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বাড়ল ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল কাতার চার খাতে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী লন্ডনে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ডুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫ দুই দিনব্যাপী সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু — একযোগে প্রায় ৩৭,৫০০ যাত্রী পাবেন উচ্চগতির ইন্টারনেট শাহরাস্তিতে সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

কাতার চার খাতে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী

কাতার এখন থেকে বাংলাদেশ থেকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মী নেয়ায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সোমবার ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই বিষয়ে স্বীকৃতি মিলেছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, কাতার এখন অদক্ষ শ্রমিকের চেয়ে দক্ষ জনবল নিয়োগে জোর দিচ্ছে। আলোচনায় প্রধানত চারটি খাত উঠে এসেছে—ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডিং, এসি (এয়ার কন্ডিশনিং) টেকনিশিয়ান এবং প্লাম্বিং—যে চার সেক্টরে কাতারের বিশেষ চাহিদা রয়েছে এবং বাংলাদেশ সেই অনুযায়ী দক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের জানান, কাতার ধর্মীয় পেশাও বিস্তারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষঙ্গে বাংলাদেশিদের নিয়োগ বাড়াতে কাতারের সম্মতি পাওয়া গেছে, যা ধর্মীয় কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অন্য একটি প্রধান বিষয়ে আলোচনা ছিল ভিসা প্রক্রিয়া ও ভিসা সেন্টারের সংখ্যা। বর্তমানে দেশে কাতারের কেবল একটি ভিসা সেন্টার থাকায় কর্মীপ্রার্থীদের যে সমস্যা ও জটিলতা হচ্ছে, তা কমানোর জন্য ভিসা সেন্টার বাড়ানোর জোর দাবি জানানো হয়েছে। কাতার কর্তৃপক্ষ এই অনুরোধ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ভিসা প্রক্রিয়া ও জনবল নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উভয় পক্ষের মধ্যে আগামীতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে ভিসা সেন্টার সম্প্রসারণসহ যে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো রয়েছে, সেগুলো চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ আলোচনা বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তিকে বৈদেশিক কর্মবাজারে আরও প্রতিযোগী করে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বাড়ল

কাতার চার খাতে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কাতার এখন থেকে বাংলাদেশ থেকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মী নেয়ায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সোমবার ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই বিষয়ে স্বীকৃতি মিলেছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, কাতার এখন অদক্ষ শ্রমিকের চেয়ে দক্ষ জনবল নিয়োগে জোর দিচ্ছে। আলোচনায় প্রধানত চারটি খাত উঠে এসেছে—ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডিং, এসি (এয়ার কন্ডিশনিং) টেকনিশিয়ান এবং প্লাম্বিং—যে চার সেক্টরে কাতারের বিশেষ চাহিদা রয়েছে এবং বাংলাদেশ সেই অনুযায়ী দক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বৈঠকে উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের জানান, কাতার ধর্মীয় পেশাও বিস্তারের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষঙ্গে বাংলাদেশিদের নিয়োগ বাড়াতে কাতারের সম্মতি পাওয়া গেছে, যা ধর্মীয় কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

অন্য একটি প্রধান বিষয়ে আলোচনা ছিল ভিসা প্রক্রিয়া ও ভিসা সেন্টারের সংখ্যা। বর্তমানে দেশে কাতারের কেবল একটি ভিসা সেন্টার থাকায় কর্মীপ্রার্থীদের যে সমস্যা ও জটিলতা হচ্ছে, তা কমানোর জন্য ভিসা সেন্টার বাড়ানোর জোর দাবি জানানো হয়েছে। কাতার কর্তৃপক্ষ এই অনুরোধ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ভিসা প্রক্রিয়া ও জনবল নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উভয় পক্ষের মধ্যে আগামীতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে ভিসা সেন্টার সম্প্রসারণসহ যে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো রয়েছে, সেগুলো চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ আলোচনা বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তিকে বৈদেশিক কর্মবাজারে আরও প্রতিযোগী করে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।