০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

চুক্তি না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক একটি পোস্টে ইরানের কাছে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ না নিলে ‘‘ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না’’ বলে সতর্ক করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘ইরানের জন্য সময় খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসছে, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’’

ট্রাম্পের এই কড়াকড়ি মন্তব্যটি আসে যখন তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথোপকথনের পর সেটি সামনে এসেছে—এটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে। এর আগে ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে যুদ্ধবিরতি বজায় না থাকলে এবং ইরান কোনো চুক্তিতে রাজি না হলে তাদের সভ্যতা ধ্বংস করা হতে পারে। কিছুদিন আগে তিনি বলেছিলেন যে যুদ্ধবিরতাও এখন ‘‘মুমূর্ষু অবস্থায়’’ রয়েছে।

এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন। দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এক থেকে দুদিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারে। এলমাসরি বলেন, ট্রাম্পকে বিভিন্ন ধরনের লোক পরামর্শ দিচ্ছেন; তার মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন মর্যাদাবান যুদ্ধপন্থী কর্মকর্তা।

এলমাসরি আরও বলেন, ট্রাম্প ইরান থেকে যে ধরনের আত্মসমর্পণ বা আস্থা প্রত্যাশা করেছিলেন, তা তিনি পাননি এবং তিনি ভাবছিলেন আলোচনা ভিন্নভাবে এগোবে। ট্রাম্পের কাছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক শীর্ষ সম্মেলন থেকে কিছু কৌশলগত ফল আসে বলে আশা ছিল, যা এখন পূরণ হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেকে।

উপর্যুক্ত বক্তব্য ও বিশ্লেষণের পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ারই আশঙ্কা রয়েছে এবং আসন্ন সময় কূটনীতি ও সামরিক সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করে ভুল হিসেব ও সংঘর্ষের ঝুঁকি তীব্র হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

চুক্তি না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না: ট্রাম্প

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক একটি পোস্টে ইরানের কাছে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ না নিলে ‘‘ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না’’ বলে সতর্ক করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘ইরানের জন্য সময় খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসছে, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’’

ট্রাম্পের এই কড়াকড়ি মন্তব্যটি আসে যখন তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথোপকথনের পর সেটি সামনে এসেছে—এটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে। এর আগে ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে যুদ্ধবিরতি বজায় না থাকলে এবং ইরান কোনো চুক্তিতে রাজি না হলে তাদের সভ্যতা ধ্বংস করা হতে পারে। কিছুদিন আগে তিনি বলেছিলেন যে যুদ্ধবিরতাও এখন ‘‘মুমূর্ষু অবস্থায়’’ রয়েছে।

এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন। দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এক থেকে দুদিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারে। এলমাসরি বলেন, ট্রাম্পকে বিভিন্ন ধরনের লোক পরামর্শ দিচ্ছেন; তার মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন মর্যাদাবান যুদ্ধপন্থী কর্মকর্তা।

এলমাসরি আরও বলেন, ট্রাম্প ইরান থেকে যে ধরনের আত্মসমর্পণ বা আস্থা প্রত্যাশা করেছিলেন, তা তিনি পাননি এবং তিনি ভাবছিলেন আলোচনা ভিন্নভাবে এগোবে। ট্রাম্পের কাছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক শীর্ষ সম্মেলন থেকে কিছু কৌশলগত ফল আসে বলে আশা ছিল, যা এখন পূরণ হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেকে।

উপর্যুক্ত বক্তব্য ও বিশ্লেষণের পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ারই আশঙ্কা রয়েছে এবং আসন্ন সময় কূটনীতি ও সামরিক সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করে ভুল হিসেব ও সংঘর্ষের ঝুঁকি তীব্র হতে পারে।