০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চুক্তি না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক একটি পোস্টে ইরানের কাছে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ না নিলে ‘‘ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না’’ বলে সতর্ক করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘ইরানের জন্য সময় খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসছে, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’’

ট্রাম্পের এই কড়াকড়ি মন্তব্যটি আসে যখন তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথোপকথনের পর সেটি সামনে এসেছে—এটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে। এর আগে ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে যুদ্ধবিরতি বজায় না থাকলে এবং ইরান কোনো চুক্তিতে রাজি না হলে তাদের সভ্যতা ধ্বংস করা হতে পারে। কিছুদিন আগে তিনি বলেছিলেন যে যুদ্ধবিরতাও এখন ‘‘মুমূর্ষু অবস্থায়’’ রয়েছে।

এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন। দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এক থেকে দুদিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারে। এলমাসরি বলেন, ট্রাম্পকে বিভিন্ন ধরনের লোক পরামর্শ দিচ্ছেন; তার মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন মর্যাদাবান যুদ্ধপন্থী কর্মকর্তা।

এলমাসরি আরও বলেন, ট্রাম্প ইরান থেকে যে ধরনের আত্মসমর্পণ বা আস্থা প্রত্যাশা করেছিলেন, তা তিনি পাননি এবং তিনি ভাবছিলেন আলোচনা ভিন্নভাবে এগোবে। ট্রাম্পের কাছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক শীর্ষ সম্মেলন থেকে কিছু কৌশলগত ফল আসে বলে আশা ছিল, যা এখন পূরণ হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেকে।

উপর্যুক্ত বক্তব্য ও বিশ্লেষণের পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ারই আশঙ্কা রয়েছে এবং আসন্ন সময় কূটনীতি ও সামরিক সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করে ভুল হিসেব ও সংঘর্ষের ঝুঁকি তীব্র হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চুক্তি না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না: ট্রাম্প

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক একটি পোস্টে ইরানের কাছে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ না নিলে ‘‘ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না’’ বলে সতর্ক করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘ইরানের জন্য সময় খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে আসছে, তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’’

ট্রাম্পের এই কড়াকড়ি মন্তব্যটি আসে যখন তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথোপকথনের পর সেটি সামনে এসেছে—এটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে। এর আগে ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে যুদ্ধবিরতি বজায় না থাকলে এবং ইরান কোনো চুক্তিতে রাজি না হলে তাদের সভ্যতা ধ্বংস করা হতে পারে। কিছুদিন আগে তিনি বলেছিলেন যে যুদ্ধবিরতাও এখন ‘‘মুমূর্ষু অবস্থায়’’ রয়েছে।

এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন। দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এক থেকে দুদিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান পুনরায় শুরু করতে পারে। এলমাসরি বলেন, ট্রাম্পকে বিভিন্ন ধরনের লোক পরামর্শ দিচ্ছেন; তার মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন মর্যাদাবান যুদ্ধপন্থী কর্মকর্তা।

এলমাসরি আরও বলেন, ট্রাম্প ইরান থেকে যে ধরনের আত্মসমর্পণ বা আস্থা প্রত্যাশা করেছিলেন, তা তিনি পাননি এবং তিনি ভাবছিলেন আলোচনা ভিন্নভাবে এগোবে। ট্রাম্পের কাছে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক শীর্ষ সম্মেলন থেকে কিছু কৌশলগত ফল আসে বলে আশা ছিল, যা এখন পূরণ হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেকে।

উপর্যুক্ত বক্তব্য ও বিশ্লেষণের পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ারই আশঙ্কা রয়েছে এবং আসন্ন সময় কূটনীতি ও সামরিক সিদ্ধান্তগুলোকে কেন্দ্র করে ভুল হিসেব ও সংঘর্ষের ঝুঁকি তীব্র হতে পারে।