০৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বাড়ল ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল কাতার চার খাতে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী লন্ডনে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ডুয়েটে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৫ দুই দিনব্যাপী সফরে ঢাকায় কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু — একযোগে প্রায় ৩৭,৫০০ যাত্রী পাবেন উচ্চগতির ইন্টারনেট শাহরাস্তিতে সমাবেশে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত ও টেকসই সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করতে এই কাজগুলো অনিবার্য।

সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সভায় রাজধানীর উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনগুলো কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ছাড়াও নাগরিক সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু ক্ষণের ব্যবস্থা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান দরকার। তিনি ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের শক্তিকরণ, নিয়মিত পরিচর্যা ও খননের পাশাপাশি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা ও পানি সরবরাহ ও পরিস্রাবণ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রীর ভাষায়, এসব কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সমকালীন চাহিদা। চলমান প্রকল্পগুলো সময়মতো ও গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই সরকারের লক্ষ্য—যাতে নগরবাসী দ্রুত সুফল পায়।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী অতিরিক্ত মনিটরিং, সময়মত কর্মসম্পাদন ও প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

সভায় সিদ্ধান্ত করা হয় যে, ভবিষ্যতে নগরজীবনের নিশ্চয়তা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো তদারকি করা হবে এবং যেখানে প্রয়োজন তাৎক্ষণিক সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ১৯ টাকা বাড়ল

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত ও টেকসই সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করতে এই কাজগুলো অনিবার্য।

সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সভায় রাজধানীর উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনগুলো কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ছাড়াও নাগরিক সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু ক্ষণের ব্যবস্থা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান দরকার। তিনি ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের শক্তিকরণ, নিয়মিত পরিচর্যা ও খননের পাশাপাশি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা ও পানি সরবরাহ ও পরিস্রাবণ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রীর ভাষায়, এসব কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সমকালীন চাহিদা। চলমান প্রকল্পগুলো সময়মতো ও গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই সরকারের লক্ষ্য—যাতে নগরবাসী দ্রুত সুফল পায়।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী অতিরিক্ত মনিটরিং, সময়মত কর্মসম্পাদন ও প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

সভায় সিদ্ধান্ত করা হয় যে, ভবিষ্যতে নগরজীবনের নিশ্চয়তা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো তদারকি করা হবে এবং যেখানে প্রয়োজন তাৎক্ষণিক সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।