০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত ও টেকসই সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করতে এই কাজগুলো অনিবার্য।

সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সভায় রাজধানীর উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনগুলো কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ছাড়াও নাগরিক সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু ক্ষণের ব্যবস্থা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান দরকার। তিনি ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের শক্তিকরণ, নিয়মিত পরিচর্যা ও খননের পাশাপাশি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা ও পানি সরবরাহ ও পরিস্রাবণ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রীর ভাষায়, এসব কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সমকালীন চাহিদা। চলমান প্রকল্পগুলো সময়মতো ও গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই সরকারের লক্ষ্য—যাতে নগরবাসী দ্রুত সুফল পায়।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী অতিরিক্ত মনিটরিং, সময়মত কর্মসম্পাদন ও প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

সভায় সিদ্ধান্ত করা হয় যে, ভবিষ্যতে নগরজীবনের নিশ্চয়তা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো তদারকি করা হবে এবং যেখানে প্রয়োজন তাৎক্ষণিক সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ দিলেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দ্রুত ও টেকসই সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করতে এই কাজগুলো অনিবার্য।

সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সভায় রাজধানীর উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনগুলো কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ছাড়াও নাগরিক সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু ক্ষণের ব্যবস্থা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান দরকার। তিনি ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের শক্তিকরণ, নিয়মিত পরিচর্যা ও খননের পাশাপাশি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা ও পানি সরবরাহ ও পরিস্রাবণ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রীর ভাষায়, এসব কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সমকালীন চাহিদা। চলমান প্রকল্পগুলো সময়মতো ও গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা হবে—এটাই সরকারের লক্ষ্য—যাতে নগরবাসী দ্রুত সুফল পায়।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী অতিরিক্ত মনিটরিং, সময়মত কর্মসম্পাদন ও প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

সভায় সিদ্ধান্ত করা হয় যে, ভবিষ্যতে নগরজীবনের নিশ্চয়তা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো তদারকি করা হবে এবং যেখানে প্রয়োজন তাৎক্ষণিক সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।