০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পাসপোর্টে ফের যুক্ত হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ ২০২৬-২৭ বাজেটে সামাজিক সুরক্ষায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাড়তি বরাদ্দ হামের টিকা ঘাটতি: ইউনিসেফ অন্তর্বর্তী সরকারকে ১০ বার সতর্ক করেছিলেন চলতি ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ছাড়াল এক লাখ চার হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা চলতি ১০ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ছাড়ালো ১ লাখ ৪ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা সেবা দেওয়া করুণা নয়, সরকারের মৌলিক দায়িত্ব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী সেবা জনগণের প্রতি করুণা নয়, সরকারের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাকিস্তানকে হারিয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জেতায় টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান চিফ হুইপ: গণতন্ত্র ছাড়া কোনও উন্নয়ন সম্ভব নয়

সিরাজগঞ্জে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরলেন এক কৃষক

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। তবু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় সম্প্রতি এমনই একটি মনোগ্রাহী দৃশ্য দেখা গেছে—মাঠের কাজ সারার পর এক কৃষক মহিষের পিঠে চড়ে ধীরস্থিরভাবে বাড়ির পথে চলেছেন।

বিকেলের সোনাঝরা রোদে সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন তিনি ও তাঁর শান্ত মহিষটি ধীর পদক্ষেপে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশ জুড়ে যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। পথচারী ও গ্রামের মানুষজনও থেমে দেখছিলেন, এই সাধারণ অভিযোগাতেই অনেকেরই শৈশবের স্মৃতি জেগে উঠেছিল।

স্থানীয়রা বলেন, আজকাল ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রের কারণে লাঙল-জোয়াল ও গবাদিপশু সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়; তাই এমন দৃশ্য এখন বিরল। এক সময়ে এখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে মহিষ কিংবা গরু থাকত, তারা ধান-কাঠি তুলত, কৃষিজমিতে কাজ করত এবং চলাচলের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার হত। তবু বেরখালির এই দৃশ্য প্রমাণ করে—শত আধুনিকতার মাঝেও গ্রামজীবনের সেই শেকড় আর ঐতিহ্য কতোটা জীবন্তভাবে রয়ে গেছে।

এটি কেবলই এক কৃষকের অদ্ভুত পথচলা নয়; বরং শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার এক ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তসমর্থ প্রতীক, যা দেখতে পেলে অনেকে মুহূর্তের জন্যই অতীতের মেলবন্ধনে হারিয়ে যান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পাসপোর্টে ফের যুক্ত হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’

সিরাজগঞ্জে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরলেন এক কৃষক

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। তবু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় সম্প্রতি এমনই একটি মনোগ্রাহী দৃশ্য দেখা গেছে—মাঠের কাজ সারার পর এক কৃষক মহিষের পিঠে চড়ে ধীরস্থিরভাবে বাড়ির পথে চলেছেন।

বিকেলের সোনাঝরা রোদে সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন তিনি ও তাঁর শান্ত মহিষটি ধীর পদক্ষেপে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশ জুড়ে যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। পথচারী ও গ্রামের মানুষজনও থেমে দেখছিলেন, এই সাধারণ অভিযোগাতেই অনেকেরই শৈশবের স্মৃতি জেগে উঠেছিল।

স্থানীয়রা বলেন, আজকাল ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রের কারণে লাঙল-জোয়াল ও গবাদিপশু সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়; তাই এমন দৃশ্য এখন বিরল। এক সময়ে এখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে মহিষ কিংবা গরু থাকত, তারা ধান-কাঠি তুলত, কৃষিজমিতে কাজ করত এবং চলাচলের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার হত। তবু বেরখালির এই দৃশ্য প্রমাণ করে—শত আধুনিকতার মাঝেও গ্রামজীবনের সেই শেকড় আর ঐতিহ্য কতোটা জীবন্তভাবে রয়ে গেছে।

এটি কেবলই এক কৃষকের অদ্ভুত পথচলা নয়; বরং শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার এক ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তসমর্থ প্রতীক, যা দেখতে পেলে অনেকে মুহূর্তের জন্যই অতীতের মেলবন্ধনে হারিয়ে যান।