০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

সিরাজগঞ্জে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরলেন এক কৃষক

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। তবু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় সম্প্রতি এমনই একটি মনোগ্রাহী দৃশ্য দেখা গেছে—মাঠের কাজ সারার পর এক কৃষক মহিষের পিঠে চড়ে ধীরস্থিরভাবে বাড়ির পথে চলেছেন।

বিকেলের সোনাঝরা রোদে সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন তিনি ও তাঁর শান্ত মহিষটি ধীর পদক্ষেপে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশ জুড়ে যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। পথচারী ও গ্রামের মানুষজনও থেমে দেখছিলেন, এই সাধারণ অভিযোগাতেই অনেকেরই শৈশবের স্মৃতি জেগে উঠেছিল।

স্থানীয়রা বলেন, আজকাল ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রের কারণে লাঙল-জোয়াল ও গবাদিপশু সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়; তাই এমন দৃশ্য এখন বিরল। এক সময়ে এখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে মহিষ কিংবা গরু থাকত, তারা ধান-কাঠি তুলত, কৃষিজমিতে কাজ করত এবং চলাচলের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার হত। তবু বেরখালির এই দৃশ্য প্রমাণ করে—শত আধুনিকতার মাঝেও গ্রামজীবনের সেই শেকড় আর ঐতিহ্য কতোটা জীবন্তভাবে রয়ে গেছে।

এটি কেবলই এক কৃষকের অদ্ভুত পথচলা নয়; বরং শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার এক ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তসমর্থ প্রতীক, যা দেখতে পেলে অনেকে মুহূর্তের জন্যই অতীতের মেলবন্ধনে হারিয়ে যান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

সিরাজগঞ্জে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরলেন এক কৃষক

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। তবু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় সম্প্রতি এমনই একটি মনোগ্রাহী দৃশ্য দেখা গেছে—মাঠের কাজ সারার পর এক কৃষক মহিষের পিঠে চড়ে ধীরস্থিরভাবে বাড়ির পথে চলেছেন।

বিকেলের সোনাঝরা রোদে সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন তিনি ও তাঁর শান্ত মহিষটি ধীর পদক্ষেপে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশ জুড়ে যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। পথচারী ও গ্রামের মানুষজনও থেমে দেখছিলেন, এই সাধারণ অভিযোগাতেই অনেকেরই শৈশবের স্মৃতি জেগে উঠেছিল।

স্থানীয়রা বলেন, আজকাল ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রের কারণে লাঙল-জোয়াল ও গবাদিপশু সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়; তাই এমন দৃশ্য এখন বিরল। এক সময়ে এখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে মহিষ কিংবা গরু থাকত, তারা ধান-কাঠি তুলত, কৃষিজমিতে কাজ করত এবং চলাচলের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার হত। তবু বেরখালির এই দৃশ্য প্রমাণ করে—শত আধুনিকতার মাঝেও গ্রামজীবনের সেই শেকড় আর ঐতিহ্য কতোটা জীবন্তভাবে রয়ে গেছে।

এটি কেবলই এক কৃষকের অদ্ভুত পথচলা নয়; বরং শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার এক ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তসমর্থ প্রতীক, যা দেখতে পেলে অনেকে মুহূর্তের জন্যই অতীতের মেলবন্ধনে হারিয়ে যান।