০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের সব পথ বন্ধ হয়নি: বিএনপি

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বা পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত হওয়া সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আবার আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। যে জুডিশিয়াল অফিসাররা সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের জন্য নিয়োজিত ছিলেন, তাদের গেজেটের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড করা হয়েছে। বদরুদ্দোজাবাদল বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, কারণ অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইনে রূপান্তরিত হয়নি বা সংসদে পাস হয়নি—সে অবস্থায় তাদের কীভাবে আলাদা ফাংশন চালাতে বলা হবে? তাই আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড অবস্থায় থাকবেন এবং পরে বিভিন্ন স্থানে পোস্টিং দেওয়া হবে।

বদরুদ্দোজা বাদল আরও বলেন, ‘‘এর মানে এই নয় যে, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এটা সত্যিই ঠিক না। এই বিষয়ে বিএনপির যে যে যৌক্তিক বক্তব্য আছে, আমরা সেটা মূল স্টেকহোল্ডার হিসেবে এগিয়ে তুলে ধরবো।’’

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, আগের যে কমিটি গঠিত হয়েছিল, তাতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব ছিল না। ফলে বিএনপির নানাবিধ পরামর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গি সেখানে উপস্থাপিত হয়নি এবং এ কারণে তারা মনে করেন যে ওই অর্ডিন্যান্সটি পর্যাপ্ত ও ব্যাপক ছিল না। বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘‘পরবর্তীতে বিএনপি এটাকে একটি ব্যাপক ও সমন্বিত বিল আকারে সংসদে তুলবে, যাতে আইনটি পরিপূর্ণ কার্যকারিতা অর্জন করে এবং ভবিষ্যতে বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে।’’

এক প্রশ্নে, এটা কি আদালত অবমাননার শামিল—এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘আদালত অবমাননার কথা বলতে হবে কেন? বিষয়টি এখনও সংসদে পাস হয়নি। আমরা বলিনি যে আর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না; বরং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সম্পূরক বিল আকারে এমনভাবে আনা হবে যাতে পরে কোনো বিতর্ক না থাকে। তাই এখানে আদালত অবমাননার কোনো উপাদান নেই।’’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের সব পথ বন্ধ হয়নি: বিএনপি

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বা পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত হওয়া সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আবার আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। যে জুডিশিয়াল অফিসাররা সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের জন্য নিয়োজিত ছিলেন, তাদের গেজেটের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড করা হয়েছে। বদরুদ্দোজাবাদল বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, কারণ অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইনে রূপান্তরিত হয়নি বা সংসদে পাস হয়নি—সে অবস্থায় তাদের কীভাবে আলাদা ফাংশন চালাতে বলা হবে? তাই আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ে অ্যাটাচড অবস্থায় থাকবেন এবং পরে বিভিন্ন স্থানে পোস্টিং দেওয়া হবে।

বদরুদ্দোজা বাদল আরও বলেন, ‘‘এর মানে এই নয় যে, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। এটা সত্যিই ঠিক না। এই বিষয়ে বিএনপির যে যে যৌক্তিক বক্তব্য আছে, আমরা সেটা মূল স্টেকহোল্ডার হিসেবে এগিয়ে তুলে ধরবো।’’

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, আগের যে কমিটি গঠিত হয়েছিল, তাতে বিএনপির কোনো প্রতিনিধিত্ব ছিল না। ফলে বিএনপির নানাবিধ পরামর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গি সেখানে উপস্থাপিত হয়নি এবং এ কারণে তারা মনে করেন যে ওই অর্ডিন্যান্সটি পর্যাপ্ত ও ব্যাপক ছিল না। বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ‘‘পরবর্তীতে বিএনপি এটাকে একটি ব্যাপক ও সমন্বিত বিল আকারে সংসদে তুলবে, যাতে আইনটি পরিপূর্ণ কার্যকারিতা অর্জন করে এবং ভবিষ্যতে বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে।’’

এক প্রশ্নে, এটা কি আদালত অবমাননার শামিল—এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘আদালত অবমাননার কথা বলতে হবে কেন? বিষয়টি এখনও সংসদে পাস হয়নি। আমরা বলিনি যে আর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না; বরং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সম্পূরক বিল আকারে এমনভাবে আনা হবে যাতে পরে কোনো বিতর্ক না থাকে। তাই এখানে আদালত অবমাননার কোনো উপাদান নেই।’’