০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চিফ হুইপ: সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার শেষ হতে পারে জাতীয় সংসদ ভবনে অন-গ্রিড সৌর রুফটপ প্রকল্পের উদ্বোধন রোহিঙ্গা সংকট জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে নবায়নযোগ্য অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উদ্বোধন রেলসচিব: ঈদযাত্রায় বড় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই রামিসা হত্যাকাণ্ডে সারা জাতি শোকাহত ও ক্ষুব্ধ: তথ্যমন্ত্রী হাম মোকাবিলায় চিকিৎসকদের ঈদে ছুটি বাতিল ঘোষণা—স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঈদের আগে শেয়ারবাজার চাঙা, সূচকে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে শেষ কার্যদিবস রোববার (২৪ মে) দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক সুর দেখা গেছে। টানা পাঁচ কার্যদিবসে উর্ধ্বমুখী আন্দোলন ধরে রেখে শেয়ারবাজার ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে গেছে, ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শান্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারেই প্রধান সূচকগুলো বেড়েছে, যদিও ডিএসইতে লেনদেনের গতিতে আগের দিনের তুলনায় সামান্য কমতি ছিল।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, দীর্ঘ মন্দার পর বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ঈদকে সামনে রেখে অতিরিক্ত বিক্রির চাপ কমায় বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করেছে। ডিএসইতে 이날 ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়ে, ১৩৬টির দর পড়ে এবং ৯২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এর ফলে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭ পয়েন্ট উঠে ৫,৩৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বাড়ে ও ডিএসই-৩০ সূচক সামান্য ওঠানামা করে যথাক্রমে ১,০৮২ ও ২,০৩০ পয়েন্টে থাকে।

তবে সূচক বাড়ার পরও ডিএসইতে তারল্যের প্রবাহ কিছুটা কমে এসেছে। রোববার মোট ৭৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ—এদের শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয় ঘটেছে ২০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার পরিমাণে। এছাড়া ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও মীর আখতার হোসেন লিমিটেডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে শীর্ষ তালিকায় ছিল।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা জারি ছিল। সিএসইর সার্বিক সূচক কাসপিআই (CASPI) ৭০ পয়েন্ট বেড়েছে। এখানে ১৮৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৬টির দাম বেড়ে গেছে এবং ৭১টির দাম কমেছে। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মত, যদি এই ইতিবাচক প্রবণতা ঈদের পরও বজায় থাকে, তবে পুঁজিবাজারে দীর্ঘ দিন ধরে প্রত্যাশিত গতিশীলতা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে। বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী যে, সুস্থ লেনদেন এবং স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে আগামী দিনগুলোতে আরও সঞ্চারণ দেখা যেতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু

ঈদের আগে শেয়ারবাজার চাঙা, সূচকে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে শেষ কার্যদিবস রোববার (২৪ মে) দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক সুর দেখা গেছে। টানা পাঁচ কার্যদিবসে উর্ধ্বমুখী আন্দোলন ধরে রেখে শেয়ারবাজার ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে গেছে, ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শান্তি ও আত্মবিশ্বাস বাড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারেই প্রধান সূচকগুলো বেড়েছে, যদিও ডিএসইতে লেনদেনের গতিতে আগের দিনের তুলনায় সামান্য কমতি ছিল।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, দীর্ঘ মন্দার পর বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ঈদকে সামনে রেখে অতিরিক্ত বিক্রির চাপ কমায় বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করেছে। ডিএসইতে 이날 ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়ে, ১৩৬টির দর পড়ে এবং ৯২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এর ফলে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭ পয়েন্ট উঠে ৫,৩৩৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বাড়ে ও ডিএসই-৩০ সূচক সামান্য ওঠানামা করে যথাক্রমে ১,০৮২ ও ২,০৩০ পয়েন্টে থাকে।

তবে সূচক বাড়ার পরও ডিএসইতে তারল্যের প্রবাহ কিছুটা কমে এসেছে। রোববার মোট ৭৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ—এদের শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয় ঘটেছে ২০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার পরিমাণে। এছাড়া ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও মীর আখতার হোসেন লিমিটেডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে শীর্ষ তালিকায় ছিল।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা জারি ছিল। সিএসইর সার্বিক সূচক কাসপিআই (CASPI) ৭০ পয়েন্ট বেড়েছে। এখানে ১৮৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৬টির দাম বেড়ে গেছে এবং ৭১টির দাম কমেছে। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মত, যদি এই ইতিবাচক প্রবণতা ঈদের পরও বজায় থাকে, তবে পুঁজিবাজারে দীর্ঘ দিন ধরে প্রত্যাশিত গতিশীলতা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে। বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী যে, সুস্থ লেনদেন এবং স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে আগামী দিনগুলোতে আরও সঞ্চারণ দেখা যেতে পারে।