০৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

ঈদকে সামনে রেখে ২৩ দিনে রেমিট্যান্স বেড়ে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী ভর্তুকি বা রেমিট্যান্সের প্রবাহ তীব্রভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে দেশের কাছে পাঠানো হয়েছে মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য রবিবার নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের প্রবাহে 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড় হিসেবে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে এই পরিমাণ ছিল ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার; তুলনায় চলতি বছরে প্রবাসী আয় বাড়েছে প্রায় ৮৭ কোটি ডলারের কাছাকাছি। ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদের সময় পশু ক্রয় ও উৎসব gastos নির্বাহের জন্য প্রবাসীরা পরিবারে বেশি পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন—যা ঘরোয়া চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বর্তমান অর্থবছর (২০২৪-২৫) এর জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ২১.২৬ শতাংশের বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে একাই ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার প্রবাহের মাধ্যমে মাসিক রেকর্ড তৈরি হয় এবং এপ্রিলেও শক্তিশালী প্রবাহ বজায় থেকে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই ধারাবাহিকতা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্বল্পমেয়াদে বৈদেশিক লেনদেনে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাজার তদারকি সংস্থাগুলো এই প্রবাহ ধরে রাখার জন্য নানা নীতি ও প্রণোদনা চালিয়ে যেতে পারে বলে আশা করছেন অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

ঈদকে সামনে রেখে ২৩ দিনে রেমিট্যান্স বেড়ে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী ভর্তুকি বা রেমিট্যান্সের প্রবাহ তীব্রভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে দেশের কাছে পাঠানো হয়েছে মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য রবিবার নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের প্রবাহে 눈ে পড়ার মতো বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড় হিসেবে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে এই পরিমাণ ছিল ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার; তুলনায় চলতি বছরে প্রবাসী আয় বাড়েছে প্রায় ৮৭ কোটি ডলারের কাছাকাছি। ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদের সময় পশু ক্রয় ও উৎসব gastos নির্বাহের জন্য প্রবাসীরা পরিবারে বেশি পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন—যা ঘরোয়া চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বর্তমান অর্থবছর (২০২৪-২৫) এর জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ২১.২৬ শতাংশের বৃদ্ধিকে নির্দেশ করে। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে একাই ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার প্রবাহের মাধ্যমে মাসিক রেকর্ড তৈরি হয় এবং এপ্রিলেও শক্তিশালী প্রবাহ বজায় থেকে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই ধারাবাহিকতা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্বল্পমেয়াদে বৈদেশিক লেনদেনে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাজার তদারকি সংস্থাগুলো এই প্রবাহ ধরে রাখার জন্য নানা নীতি ও প্রণোদনা চালিয়ে যেতে পারে বলে আশা করছেন অর্থনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।