১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স জোয়ার: ২৩ দিনে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে দেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ মাধ্যমে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও কেন্দ্রিয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেছেন। ওই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

গত বছরের একই সময়ে দেশে একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল তুলনামূলকভাবে কম — গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে এসেছিল ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের এই সময়ে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলারে বেশি। ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদুল আজহার পশু ক্রয়, উপহার ও উৎসবের খরচ মেটাতে প্রবাসীরা পরিবারের কাছে বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন, যা উৎসবকালীন খরচ যোগাতে সহায়ক হওয়া mellett দেশের অভ্যন্তরীন চাহিদাও বাড়াচ্ছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পরিলক্ষিত করেছে। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে এক মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসে বাংলাদেশি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মাসিক রেকর্ড গড়া হয়েছিল এবং এপ্রিলেও শক্তিশালী প্রবাহ বজায় রেখে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান এই ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ঈদ শেষ হওয়ার পরও যদি প্রবাহ বজায় থাকে তাহলে মুদ্রানীতি ও ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কারাগারের চার দেয়ালে ১৬১ ‘ভিআইপি’র ঈদ

ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স জোয়ার: ২৩ দিনে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে দেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ মাধ্যমে প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও কেন্দ্রিয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেছেন। ওই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

গত বছরের একই সময়ে দেশে একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল তুলনামূলকভাবে কম — গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে এসেছিল ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের এই সময়ে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলারে বেশি। ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ঈদুল আজহার পশু ক্রয়, উপহার ও উৎসবের খরচ মেটাতে প্রবাসীরা পরিবারের কাছে বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন, যা উৎসবকালীন খরচ যোগাতে সহায়ক হওয়া mellett দেশের অভ্যন্তরীন চাহিদাও বাড়াচ্ছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পরিলক্ষিত করেছে। উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে এক মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসে বাংলাদেশি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মাসিক রেকর্ড গড়া হয়েছিল এবং এপ্রিলেও শক্তিশালী প্রবাহ বজায় রেখে এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান এই ধারাবাহিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ঈদ শেষ হওয়ার পরও যদি প্রবাহ বজায় থাকে তাহলে মুদ্রানীতি ও ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।