০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন তারেক রহমান বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে পশু কোরবানি সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এম. মুনির-উজ-জামান আর নেই ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীসহ সারা দেশে কোরবানি চলছে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহে তীব্র বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে প্রবাসীরা মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে প্রতিদিন গড়োকড়ে দেশে ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য বাড়তি প্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে। গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশের কাছে এসে ছিল ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার; সেই তুলনায় চলতি বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলার বেশি পৌঁছেছে।

ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ঈদুল আজহার সময়ে পশু ক্রয়, ভ্রমণ ও উৎসবকালীন অন্যান্ন ব্যয় মেটাতে প্রবাসীরা এবার পরিবারের কাছে অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন। এই বাড়তি রেমিট্যান্স দেশে তরলতা বাড়াতে এবং ভোগ্যপণ্য ও সেবা ব্যবহারের চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স গ্রহণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এর মধ্যে মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসে ব্যাংকিং ইতিহাসে মাসিক সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছিল, এবং এপ্রিলেও শক্তিশালী প্রবাহ বজায় থেকেছে—৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

বর্তমান এই ধারাবাহিকতা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে সহায়তা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা আশা করছেন। দীর্ঘ মেয়াদে রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় থাকলে ভৌত বিনিয়োগ, আমদানি ও মূল্যস্থিতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা মনে করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান

ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহে তীব্র বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে প্রবাসীরা মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে প্রতিদিন গড়োকড়ে দেশে ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য বাড়তি প্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে। গত বছরের মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশের কাছে এসে ছিল ২১০ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার; সেই তুলনায় চলতি বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় প্রায় ৮৭ কোটি ডলার বেশি পৌঁছেছে।

ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, ঈদুল আজহার সময়ে পশু ক্রয়, ভ্রমণ ও উৎসবকালীন অন্যান্ন ব্যয় মেটাতে প্রবাসীরা এবার পরিবারের কাছে অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন। এই বাড়তি রেমিট্যান্স দেশে তরলতা বাড়াতে এবং ভোগ্যপণ্য ও সেবা ব্যবহারের চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স গ্রহণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩০ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এর মধ্যে মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসে ব্যাংকিং ইতিহাসে মাসিক সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছিল, এবং এপ্রিলেও শক্তিশালী প্রবাহ বজায় থেকেছে—৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার।

বর্তমান এই ধারাবাহিকতা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে সহায়তা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা আশা করছেন। দীর্ঘ মেয়াদে রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় থাকলে ভৌত বিনিয়োগ, আমদানি ও মূল্যস্থিতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা মনে করেন।