০৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে কাল হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন তারেক রহমান বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে পশু কোরবানি

হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি

পবিত্র হজ শেষে প্রথম দলে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন বাংলাদেশি হাজি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টাল এবং আইটি হেল্প ডেস্কের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ৩০ মে মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইটে এই সংখ্যক হাজি নিরাপদে দেশে পৌঁছেছেন।

ফেরার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা ৫ হাজার ৭৫৯ জন হাজি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনায় তিনটি এয়ারলাইন্স সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে — বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তিনটি ফ্লাইটে ১,১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স চারটি ফ্লাইটে ১,৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস আটটি ফ্লাইটে ৩,৩০০ জন হাজিকে ঢাকায় পৌঁছে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফেরত ফ্লাইট কার্যক্রম আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।

আনন্দের এই ফিরতি সফরের মাঝেই কিছু শোকসংবাদও রয়েছে। এবছর সৌদি আরবে মোট ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু ঘটে; তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এদের মধ্যে ২৭ জন মক্কায় এবং ১০ জন মদিনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অসুস্থ হওয়ার কারণে ১৭৬ জন হাজি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে ২৬ জন হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরার জন্য মক্কার বাংলাদেশ মিশনের কনফারেন্স কক্ষে একটি বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে হওয়া সভায় হাজিদের আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতকরণে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সভায় প্রশাসনিক দল, চিকিৎসক ও আইটি দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের রূপরেখা গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, এবছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮,৫০০ জনের হজ কোটা ছিল। সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২১ মে পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছিল। দীর্ঘ এক মাসের পবিত্র সফর শেষে গত ৩০ মে থেকে হাজিরা দেশে ফিরে আসা শুরু করেছেন।

হাজিদের ফিরে আসার প্রক্রিয়া যেন নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়, সেই উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বিশেষ নজরদারি ও সহায়তা কেন্দ্র রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গ্রাহক সেবা, চিকিৎসা সহায়তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা জোরদার রাখছেন যাতে প্রত্যেক হাজির নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি

হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পবিত্র হজ শেষে প্রথম দলে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন বাংলাদেশি হাজি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টাল এবং আইটি হেল্প ডেস্কের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ৩০ মে মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইটে এই সংখ্যক হাজি নিরাপদে দেশে পৌঁছেছেন।

ফেরার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা ৫ হাজার ৭৫৯ জন হাজি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনায় তিনটি এয়ারলাইন্স সরাসরি অংশগ্রহণ করেছে — বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তিনটি ফ্লাইটে ১,১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স চারটি ফ্লাইটে ১,৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস আটটি ফ্লাইটে ৩,৩০০ জন হাজিকে ঢাকায় পৌঁছে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফেরত ফ্লাইট কার্যক্রম আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে।

আনন্দের এই ফিরতি সফরের মাঝেই কিছু শোকসংবাদও রয়েছে। এবছর সৌদি আরবে মোট ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু ঘটে; তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এদের মধ্যে ২৭ জন মক্কায় এবং ১০ জন মদিনায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অসুস্থ হওয়ার কারণে ১৭৬ জন হাজি স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে ২৬ জন হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরার জন্য মক্কার বাংলাদেশ মিশনের কনফারেন্স কক্ষে একটি বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে হওয়া সভায় হাজিদের আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতকরণে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সভায় প্রশাসনিক দল, চিকিৎসক ও আইটি দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের রূপরেখা গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, এবছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮,৫০০ জনের হজ কোটা ছিল। সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২১ মে পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছিল। দীর্ঘ এক মাসের পবিত্র সফর শেষে গত ৩০ মে থেকে হাজিরা দেশে ফিরে আসা শুরু করেছেন।

হাজিদের ফিরে আসার প্রক্রিয়া যেন নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়, সেই উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বিশেষ নজরদারি ও সহায়তা কেন্দ্র রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গ্রাহক সেবা, চিকিৎসা সহায়তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা জোরদার রাখছেন যাতে প্রত্যেক হাজির নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।