০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী শারীরিক অসুস্থতা জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৩ লাখ টাকা জরিমানা রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে কাল হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা

বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েই অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও তা দ্রুত হারে নেমে আসবে এবং তখনই সরকার মূল্য সমন্বয় ঘটাবে।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, সরকার শুধুমাত্র তখনই এই ধরনের কঠিন ও অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেয় যখন অন্য কোনো বিকল্প থাকে না। তিনি উল্লেখ করেন যে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটই এই বাস্তবতা সৃষ্টি করেছে এবং এর প্রভাব এড়ানো সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেছে, দেশের জ্বালানি খরচের প্রায় ৬৬ শতাংশ ডিজেলে ব্যবহৃত হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে—তাই ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকার ডিজেলের জন্য বিস্তর আর্থিক ভর্তুকি দিচ্ছে, তবু ‘‘সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবে প্রভাবিত না হন’’—এই লক্ষ্যেই দাম বাড়ানো হয়নি। তবু সার্বিক ব্যয় সামাল দিতে কিছু কিছু পণ্যের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুত মিটলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য হঠাৎ করে নামলেই সরকার তৎক্ষণাৎ মূল্য সমন্বয় করার চেষ্টা করবে। তিনি অতীতের অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন—দর বাড়ে দ্রুত হয়, কিন্তু কমতে সময় লাগে—তবু সংকট শেষ হলে জনগণের কষ্ট লাঘব করতে তাদের দায়বদ্ধতা থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১ জুন থেকে কার্যকর নতুন কনসূমার মূল্য অনুসারে ভোক্তা পর্যায়ে অকটেন বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১৪৫ টাকায়, পেট্রোল ১৪০ টাকায় এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকায়। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আন্তর্জাতিক দর কমলেই এ সুবিধাগুলো সর্বোচ্চ সুফলে জনগণ পাবেন—এটিই সরকার নিশ্চিত করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

বিদ্যমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েই অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও তা দ্রুত হারে নেমে আসবে এবং তখনই সরকার মূল্য সমন্বয় ঘটাবে।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, সরকার শুধুমাত্র তখনই এই ধরনের কঠিন ও অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেয় যখন অন্য কোনো বিকল্প থাকে না। তিনি উল্লেখ করেন যে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকটই এই বাস্তবতা সৃষ্টি করেছে এবং এর প্রভাব এড়ানো সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেছে, দেশের জ্বালানি খরচের প্রায় ৬৬ শতাংশ ডিজেলে ব্যবহৃত হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে—তাই ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকার ডিজেলের জন্য বিস্তর আর্থিক ভর্তুকি দিচ্ছে, তবু ‘‘সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবে প্রভাবিত না হন’’—এই লক্ষ্যেই দাম বাড়ানো হয়নি। তবু সার্বিক ব্যয় সামাল দিতে কিছু কিছু পণ্যের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুত মিটলে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য হঠাৎ করে নামলেই সরকার তৎক্ষণাৎ মূল্য সমন্বয় করার চেষ্টা করবে। তিনি অতীতের অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন—দর বাড়ে দ্রুত হয়, কিন্তু কমতে সময় লাগে—তবু সংকট শেষ হলে জনগণের কষ্ট লাঘব করতে তাদের দায়বদ্ধতা থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১ জুন থেকে কার্যকর নতুন কনসূমার মূল্য অনুসারে ভোক্তা পর্যায়ে অকটেন বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১৪৫ টাকায়, পেট্রোল ১৪০ টাকায় এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকায়। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আন্তর্জাতিক দর কমলেই এ সুবিধাগুলো সর্বোচ্চ সুফলে জনগণ পাবেন—এটিই সরকার নিশ্চিত করবে।