০৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে আইএলও’র ১১৪তম সম্মেলনে সহ-সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন জনতুষ্টি নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী হামের তাণ্ডবের মাঝে ডেঙ্গু নিয়েও সতর্কতা বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই বৈশ্বিক চাপের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী শারীরিক অসুস্থতা জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ

আসন্ন বাজেটে সিম প্রতিস্থাপনের কর প্রত্যাহার হতে পারে

আসন্ন জাতীয় বাজেটে মোবাইল সিম প্রতিস্থাপনের উপর আরোপিত কর প্রত্যাহার করা হতে পারে বলে অর্থমন্ত্রী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। বর্তমানে কোনো সিম হারালে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে একই নম্বর পুনরায় চালু করতে গ্রাহককে ২০০ টাকা কর প্রদান করতে হয়। সরকার এই কর প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সাধারণ সিমের পাশাপাশি ‘ইন্টারনেট অব থিংস’ (আইওটি) সিমগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে।

সিম প্রতিস্থাপনের কর বাতিল হলে বছরে সরকারের রাজস্ব থেকে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ঘাটতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নতুন সিদ্ধান্তটি নেওয়ার পেছনে উচ্চপর্যায়ের লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবসা সহজ করা এবং টেলিকম খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা। দীর্ঘ দিন ধরেই মোবাইল অপারেটররা এই কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল; তাদের যুক্তি—একই নম্বরের সিম প্রথমবার কেনার সময় কর দেওয়ার পর পরে সিম বদলালে আবার কর নেওয়া হলে তা দ্বৈত করের সমতুল্য।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাম্প্রতিক ডেটা অনুযায়ী দেশে মোট নিবন্ধিত মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি ৭০ লাখ। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৬৫ লাখ সিম প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে, যা বর্তমান কর ধারার আলোকে গ্রাহকদের ওপর সরাসরি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। বর্তমানে নতুন সিম বিক্রির ক্ষেত্রেও ২০০ টাকা কর ধার্য করা আছে এবং সিম-সংক্রান্ত সব রাজস্ব মিলিয়ে বছরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা অর্জিত হয়।

এই কর প্রত্যাহার হলে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীরা তাত্ক্ষণিক আর্থিক ছাড় পাবেন এবং টেলিকম খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও দৃঢ় হবে—বিশেষত ছোট গ্রাহক ও আইওটি সেবাদাতাদের জন্য এটি সহায়ক হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সরকারি ফাইনাল সিদ্ধান্ত আসন্ন বাজেট ঘোষণা পর্যন্ত চূড়ান্ত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে

আসন্ন বাজেটে সিম প্রতিস্থাপনের কর প্রত্যাহার হতে পারে

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

আসন্ন জাতীয় বাজেটে মোবাইল সিম প্রতিস্থাপনের উপর আরোপিত কর প্রত্যাহার করা হতে পারে বলে অর্থমন্ত্রী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। বর্তমানে কোনো সিম হারালে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে একই নম্বর পুনরায় চালু করতে গ্রাহককে ২০০ টাকা কর প্রদান করতে হয়। সরকার এই কর প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সাধারণ সিমের পাশাপাশি ‘ইন্টারনেট অব থিংস’ (আইওটি) সিমগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে।

সিম প্রতিস্থাপনের কর বাতিল হলে বছরে সরকারের রাজস্ব থেকে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ঘাটতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নতুন সিদ্ধান্তটি নেওয়ার পেছনে উচ্চপর্যায়ের লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবসা সহজ করা এবং টেলিকম খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা। দীর্ঘ দিন ধরেই মোবাইল অপারেটররা এই কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল; তাদের যুক্তি—একই নম্বরের সিম প্রথমবার কেনার সময় কর দেওয়ার পর পরে সিম বদলালে আবার কর নেওয়া হলে তা দ্বৈত করের সমতুল্য।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাম্প্রতিক ডেটা অনুযায়ী দেশে মোট নিবন্ধিত মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি ৭০ লাখ। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৬৫ লাখ সিম প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন পড়ে, যা বর্তমান কর ধারার আলোকে গ্রাহকদের ওপর সরাসরি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে। বর্তমানে নতুন সিম বিক্রির ক্ষেত্রেও ২০০ টাকা কর ধার্য করা আছে এবং সিম-সংক্রান্ত সব রাজস্ব মিলিয়ে বছরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা অর্জিত হয়।

এই কর প্রত্যাহার হলে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীরা তাত্ক্ষণিক আর্থিক ছাড় পাবেন এবং টেলিকম খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও দৃঢ় হবে—বিশেষত ছোট গ্রাহক ও আইওটি সেবাদাতাদের জন্য এটি সহায়ক হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সরকারি ফাইনাল সিদ্ধান্ত আসন্ন বাজেট ঘোষণা পর্যন্ত চূড়ান্ত হবে।