১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৩৪

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (০১ জুন) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (০২ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১,৩৩৪ জন। এই তথ্য মঙ্গলবার (০২ জুন) বিকেলে অধিদপ্তরের প্রকাশিত জরুরি হালনাগাদ থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনকভাবে হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১,২৯২ জন শিশু। এ ছাড়াও ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হিসেবে নতুন করে ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ দুইটি মিলিয়ে ওই ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৩৩৪।

প্রতিবেদনে সংযুক্ত সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা হয়েছে ৭৩,৩৬২ জন। সেই সময়সূচিতে ল্যাব পরীক্ষায় মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,১৩৬ জন।

সরকারি তথ্যমতে, একই সময় (১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে) সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৫৯,১০৬ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪,৮১২ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে মোট ৫০৪ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯০ জন।

চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলেছেন, হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শিশুর নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কোনো শিশুর শরীরে হাম বা এর উপসর্গ দেখা গেলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি বিশেষজ্ঞরা অনুরোধ করেছেন—টিকাপত্র যাচাই করুন, আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণে চিকিৎসা নিন এবং জনসংঘর্ষপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সংস্পর্শ কমিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৩৪

প্রকাশিতঃ ০৭:২৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (০১ জুন) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (০২ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১,৩৩৪ জন। এই তথ্য মঙ্গলবার (০২ জুন) বিকেলে অধিদপ্তরের প্রকাশিত জরুরি হালনাগাদ থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনকভাবে হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১,২৯২ জন শিশু। এ ছাড়াও ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হিসেবে নতুন করে ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ দুইটি মিলিয়ে ওই ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৩৩৪।

প্রতিবেদনে সংযুক্ত সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা হয়েছে ৭৩,৩৬২ জন। সেই সময়সূচিতে ল্যাব পরীক্ষায় মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,১৩৬ জন।

সরকারি তথ্যমতে, একই সময় (১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে) সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৫৯,১০৬ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪,৮১২ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে মোট ৫০৪ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯০ জন।

চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলেছেন, হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শিশুর নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কোনো শিশুর শরীরে হাম বা এর উপসর্গ দেখা গেলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি বিশেষজ্ঞরা অনুরোধ করেছেন—টিকাপত্র যাচাই করুন, আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণে চিকিৎসা নিন এবং জনসংঘর্ষপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সংস্পর্শ কমিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।