০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল — ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়তি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের মিতসুই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতিসংঘে ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ড. খলিলুর রহমান জাপানের মিতসুই প্রতিনিধিদলের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৩৪ প্রবাসী কার্ড চালু: বিএমইটি কার্ডের বিকল্পে একক ডিজিটাল সেবা মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল চীন সফরে আইএলও’র ১১৪তম সম্মেলনে সহ-সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দশ গণমুখী উদ্যোগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন

২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৩৪

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (০১ জুন) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (০২ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১,৩৩৪ জন। এই তথ্য মঙ্গলবার (০২ জুন) বিকেলে অধিদপ্তরের প্রকাশিত জরুরি হালনাগাদ থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনকভাবে হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১,২৯২ জন শিশু। এ ছাড়াও ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হিসেবে নতুন করে ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ দুইটি মিলিয়ে ওই ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৩৩৪।

প্রতিবেদনে সংযুক্ত সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা হয়েছে ৭৩,৩৬২ জন। সেই সময়সূচিতে ল্যাব পরীক্ষায় মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,১৩৬ জন।

সরকারি তথ্যমতে, একই সময় (১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে) সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৫৯,১০৬ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪,৮১২ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে মোট ৫০৪ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯০ জন।

চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলেছেন, হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শিশুর নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কোনো শিশুর শরীরে হাম বা এর উপসর্গ দেখা গেলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি বিশেষজ্ঞরা অনুরোধ করেছেন—টিকাপত্র যাচাই করুন, আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণে চিকিৎসা নিন এবং জনসংঘর্ষপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সংস্পর্শ কমিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল — ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়তি

২৪ ঘণ্টায় হামে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৩৪

প্রকাশিতঃ ০৭:২৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (০১ জুন) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার (০২ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১,৩৩৪ জন। এই তথ্য মঙ্গলবার (০২ জুন) বিকেলে অধিদপ্তরের প্রকাশিত জরুরি হালনাগাদ থেকে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনকভাবে হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১,২৯২ জন শিশু। এ ছাড়াও ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হিসেবে নতুন করে ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ দুইটি মিলিয়ে ওই ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৩৩৪।

প্রতিবেদনে সংযুক্ত সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা হয়েছে ৭৩,৩৬২ জন। সেই সময়সূচিতে ল্যাব পরীক্ষায় মোট নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,১৩৬ জন।

সরকারি তথ্যমতে, একই সময় (১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে) সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৫৯,১০৬ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪,৮১২ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক উপসর্গ নিয়ে মোট ৫০৪ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৯০ জন।

চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলেছেন, হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শিশুর নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কোনো শিশুর শরীরে হাম বা এর উপসর্গ দেখা গেলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি বিশেষজ্ঞরা অনুরোধ করেছেন—টিকাপত্র যাচাই করুন, আক্রান্ত হওয়ার প্রথম লক্ষণে চিকিৎসা নিন এবং জনসংঘর্ষপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সংস্পর্শ কমিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।