০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চকরিয়ায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ছবি প্রকাশ: ওসি মনির হোসেনকে লিগ্যাল নোটিশ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশ করার অভিযোগে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনকে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও কক্সবাজারের এসপিকেও প্রদত্ত করা হয়েছে।

নোটিশটি বুধবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে, বিশেষ করে দৈনিক যুগান্তরসহ কয়েকটি পেপার ও অনলাইন পাতায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ঘটনার ভিকটিমের ছবি এবং পরিচয় চকরিয়া থানা অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

লিখিত নোটিশে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে যে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির ছবি, পরিচয় বা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ যা থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়—সেগুলো প্রকাশ করা আইন, মানবাধিকার ও ভিকটিম সুরক্ষা নীতিমালার পরিপন্থী। দেশের উচ্চ আদালতও স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ভিকটিমদের ছবি ও পরিচয় প্রচারের ক্ষেত্রে ফর্সা হওয়া যাবে না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের তথ্য প্রকাশ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে ওই কর্মকাণ্ড হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপন্থী এবং ভিকটিমের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে এমন অনাভিপ্রেত প্রকাশ ভুক্তভোগীর মানসিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ সাংবাদিকদের জানান, ‘‘ধর্ষণের শিকার এক মেয়ের ছবি ‘চকরিয়া পুলিশ স্টেশন’ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত হওয়ার খবর আমাদের কাছে এসেছে। যদি তা সত্যি হয়ে থাকে তবে অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি সেটি এখনও প্রত্যক্ষভাবে দেখিনি।’’

নোটিশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত তদন্ত করে তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বলেছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে বিনা অভিযোজনে আরও তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রতিকার নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চকরিয়ায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ছবি প্রকাশ: ওসি মনির হোসেনকে লিগ্যাল নোটিশ

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশ করার অভিযোগে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেনকে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও কক্সবাজারের এসপিকেও প্রদত্ত করা হয়েছে।

নোটিশটি বুধবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে, বিশেষ করে দৈনিক যুগান্তরসহ কয়েকটি পেপার ও অনলাইন পাতায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ঘটনার ভিকটিমের ছবি এবং পরিচয় চকরিয়া থানা অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

লিখিত নোটিশে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে যে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির ছবি, পরিচয় বা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ যা থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়—সেগুলো প্রকাশ করা আইন, মানবাধিকার ও ভিকটিম সুরক্ষা নীতিমালার পরিপন্থী। দেশের উচ্চ আদালতও স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ভিকটিমদের ছবি ও পরিচয় প্রচারের ক্ষেত্রে ফর্সা হওয়া যাবে না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের তথ্য প্রকাশ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, যদি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে ওই কর্মকাণ্ড হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপন্থী এবং ভিকটিমের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে এমন অনাভিপ্রেত প্রকাশ ভুক্তভোগীর মানসিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ সাংবাদিকদের জানান, ‘‘ধর্ষণের শিকার এক মেয়ের ছবি ‘চকরিয়া পুলিশ স্টেশন’ নামে একটি ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত হওয়ার খবর আমাদের কাছে এসেছে। যদি তা সত্যি হয়ে থাকে তবে অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি সেটি এখনও প্রত্যক্ষভাবে দেখিনি।’’

নোটিশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত তদন্ত করে তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বলেছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে বিনা অভিযোজনে আরও তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রতিকার নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।