০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বাড়ছে, বিজিবি ও স্থানীয়রা প্রতিহত করেছেন ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বিশেষ সিদ্ধান্তে ৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট ও তিন মাসের বিশেষ অভিযান শুরু কাদুগলির শহীদ ছয় বাংলাদেশিকে নিউইয়র্কে ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ মরণোত্তর পদক অর্থনীতির গতি ফিরাতে রোডশো — বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গ্রিন কনসার্নসের উদ্যোগে তেজগাঁওয়ে রোড ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ল — হতাহতের খবর নেই শহীদ জিয়ার সার্ক-ভিত্তিক বহুপাক্ষিক কূটনীতি সরকারের মূল পথ: তথ্যমন্ত্রী

নওগাঁ সীমান্তে শিশুসহ ১৭ জনকে ফেরত পাঠাল বিএসএফ

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তে শিশুসহ ১৭ জনকে সীমান্তরক্ষী ভারতীয় বাহিনী বিএসএফ ফেরত পাঠিয়েছে। ঘটনা নিয়ে গত শনিবার (৬ জুন) সকালে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি সূত্র বলছে, গত শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে সাতটায় ২৩৮/এমপি পিলারের কাছাকাছি বিএসএফ ১৭ জনকে পুশইন করার চেষ্টা করে। ওই চেষ্টা প্রায় ১৯ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলেও বিজিবির কড়া উপস্থিতি ও পাহারায় তারা বাংলাদেশে প্রবেশে সফল হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত রাত একটার দিকে বিএসএফ ওই সব ব্যক্তিকে টেনে-হিঁচড়ে তাদের নিজ দেশের দিকে ফিরিয়ে নেয়।

বিজিবি জানায়, ঘটনাস্থলে প্রথমে মানবিক কারণে এসব ব্যক্তিকে শূন্যরেখায় রাখা হয়েছিল। সন্ধ্যার পর তাদেরকে নো-ম্যান্সল্যান্ডে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সীমান্তের আলো নিভিয়ে রাতের অন্ধকারে বিএসএফ বিভিন্ন পুশইন চেষ্টা চালায়; কিন্তু বিজিবি অবস্থান দৃঢ় রাখায় আরেকদিকে পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কোন প্রাপ্তস্বরূপ প্রমাণাদি দেখাতে না পারায় তারা শেষ পর্যন্ত ওই ১৭ জনকে ফিরে নিয়ে গেছে বলে বিজিবি ধারণা করছে।

ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ পুরুষ, ৬ নারী এবং ৫ শিশু রয়েছেন, বলেন বিজিবি কর্মকর্তা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কলমুডাঙ্গা গ্রামের ট্রাক্টর চালক মাহবুব আলম বলেন, ‘ওই ১৭ জনকে বিজিবি সদস্যরা পাহারা দিয়ে রেখেছিল। রাত ১১টার দিকে আমি ধান লোড করছিলাম, তখনও বিজিবি সেখানে ছিল। পরে বিএসএফ সদস্যরা এসে তাদের টেনে-হিঁচড়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। তারা যেতে চাইছিল না, অনেক কাতর কাঁদছিল—আমরা এগিয়ে গেলে বিএসএফ আমাদের বাধা দেয়।’

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, ‘খবর পেয়ে ওই এলাকায় বিজিবির টহল বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সীমান্তে অবস্থান আরও জোরদার করা হয়েছে। আগামীতে এমন ঘটনা রোধে সেগুলোকে আরও মনিটর করা হবে।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বাড়ছে, বিজিবি ও স্থানীয়রা প্রতিহত করেছেন

নওগাঁ সীমান্তে শিশুসহ ১৭ জনকে ফেরত পাঠাল বিএসএফ

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তে শিশুসহ ১৭ জনকে সীমান্তরক্ষী ভারতীয় বাহিনী বিএসএফ ফেরত পাঠিয়েছে। ঘটনা নিয়ে গত শনিবার (৬ জুন) সকালে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন-১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি সূত্র বলছে, গত শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে সাতটায় ২৩৮/এমপি পিলারের কাছাকাছি বিএসএফ ১৭ জনকে পুশইন করার চেষ্টা করে। ওই চেষ্টা প্রায় ১৯ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলেও বিজিবির কড়া উপস্থিতি ও পাহারায় তারা বাংলাদেশে প্রবেশে সফল হতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত রাত একটার দিকে বিএসএফ ওই সব ব্যক্তিকে টেনে-হিঁচড়ে তাদের নিজ দেশের দিকে ফিরিয়ে নেয়।

বিজিবি জানায়, ঘটনাস্থলে প্রথমে মানবিক কারণে এসব ব্যক্তিকে শূন্যরেখায় রাখা হয়েছিল। সন্ধ্যার পর তাদেরকে নো-ম্যান্সল্যান্ডে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সীমান্তের আলো নিভিয়ে রাতের অন্ধকারে বিএসএফ বিভিন্ন পুশইন চেষ্টা চালায়; কিন্তু বিজিবি অবস্থান দৃঢ় রাখায় আরেকদিকে পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কোন প্রাপ্তস্বরূপ প্রমাণাদি দেখাতে না পারায় তারা শেষ পর্যন্ত ওই ১৭ জনকে ফিরে নিয়ে গেছে বলে বিজিবি ধারণা করছে।

ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ পুরুষ, ৬ নারী এবং ৫ শিশু রয়েছেন, বলেন বিজিবি কর্মকর্তা।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কলমুডাঙ্গা গ্রামের ট্রাক্টর চালক মাহবুব আলম বলেন, ‘ওই ১৭ জনকে বিজিবি সদস্যরা পাহারা দিয়ে রেখেছিল। রাত ১১টার দিকে আমি ধান লোড করছিলাম, তখনও বিজিবি সেখানে ছিল। পরে বিএসএফ সদস্যরা এসে তাদের টেনে-হিঁচড়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। তারা যেতে চাইছিল না, অনেক কাতর কাঁদছিল—আমরা এগিয়ে গেলে বিএসএফ আমাদের বাধা দেয়।’

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, ‘খবর পেয়ে ওই এলাকায় বিজিবির টহল বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সীমান্তে অবস্থান আরও জোরদার করা হয়েছে। আগামীতে এমন ঘটনা রোধে সেগুলোকে আরও মনিটর করা হবে।’