০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অক্টোবর থেকে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: তথ্য উপদেষ্টা মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা: অক্টোবরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ডিএমপিতে উচ্চপর্যায়ের রদবদল — ৬ ডিসিকে বদলি ডে-কেয়ার সেন্টার দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অপরিহার্য: ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী নিজের বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন বাংলা একাডেমিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ বিদায় ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী

মাগুরায় অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি, দোকানিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুজিতপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগে একটি সার ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়। অভিযানটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। অভিযানে জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা করেন।

পরিদর্শনে উপস্থিত কর্মীরা মেসার্স সনজিত কুমার সাহা নামে বিসিআইসি সার ডিলারের দোকানে নানা অনিয়ম পান। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, টিএসপি সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি বস্তা ১,৩৫০ টাকা হলেও দোকানটি ২,২০০ টাকায় বিক্রি করেছে। একইভাবে ডিএপি সারের সরকারি মূল্য ১,০৫০ টাকা হলেও সেখানে ১,৭০০ টাকায় সারা বিক্রি করা হচ্ছিল।

তদুপরি অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে ভাউচার বা রেজিস্ট্রার লিপিবদ্ধকরণ করা হয়নি। অভিযানে দুইজন কৃষকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানা যায়, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলেও কোনো ভাউচার বা প্রাপ্তি ও রেজিস্টার কাগজ প্রদান করা হয়নি।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর ওই কর্মকাণ্ডকে কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে প্রতারণামূলক ব্যবসা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, সরকার প্রতি বছর কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়; তবে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে কৃষকের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে।

এসব উল্লঙ্ঘনের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ধারা ৪৫ ও ৪০ অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আইন-অমান্য ও প্রতারণামূলক কার্যকলাপে জড়াবেন না—মনোভাবটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কও করা হয়েছে।

অভিযানকারীরা জানান, 앞으로ও অনবরত তদারকির মাধ্যমে বাজারে সার ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও লেনদেনের ন্যাক্কারজনক অনিয়ম বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মাগুরায় অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি, দোকানিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

মাগুরা সদর উপজেলার শত্রুজিতপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগে একটি সার ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মাগুরা জেলা কার্যালয়। অভিযানটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। অভিযানে জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম এবং মাগুরা জেলা পুলিশের একটি টিম সার্বিক সহযোগিতা করেন।

পরিদর্শনে উপস্থিত কর্মীরা মেসার্স সনজিত কুমার সাহা নামে বিসিআইসি সার ডিলারের দোকানে নানা অনিয়ম পান। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, টিএসপি সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি বস্তা ১,৩৫০ টাকা হলেও দোকানটি ২,২০০ টাকায় বিক্রি করেছে। একইভাবে ডিএপি সারের সরকারি মূল্য ১,০৫০ টাকা হলেও সেখানে ১,৭০০ টাকায় সারা বিক্রি করা হচ্ছিল।

তদুপরি অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে ভাউচার বা রেজিস্ট্রার লিপিবদ্ধকরণ করা হয়নি। অভিযানে দুইজন কৃষকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানা যায়, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলেও কোনো ভাউচার বা প্রাপ্তি ও রেজিস্টার কাগজ প্রদান করা হয়নি।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর ওই কর্মকাণ্ডকে কৃষি ও কৃষকের সঙ্গে প্রতারণামূলক ব্যবসা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, সরকার প্রতি বছর কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়; তবে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে কৃষকের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে।

এসব উল্লঙ্ঘনের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ধারা ৪৫ ও ৪০ অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আইন-অমান্য ও প্রতারণামূলক কার্যকলাপে জড়াবেন না—মনোভাবটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কও করা হয়েছে।

অভিযানকারীরা জানান, 앞으로ও অনবরত তদারকির মাধ্যমে বাজারে সার ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও লেনদেনের ন্যাক্কারজনক অনিয়ম বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হবে।