০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী: অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ‘বাংলাফ্যাক্ট’ সরকারি তহবিল থেকে বিদেশভ্রমণ ও নতুন গাড়ি ক্রয় বন্ধ ঢাকায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্থায়ী ভিসা সেন্টার স্থাপনের তৎপরতা শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে তাদাও আন্দোর নকশায় আধুনিক ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন লাইব্রেরি’ নির্মাণ অক্টোবর থেকে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: তথ্য উপদেষ্টা মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা: অক্টোবরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায়

নির্বাচনী পরিবেশকে আরও নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক করতে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতাগুলো স্থানীয় স্তরে কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সংস্কার সংক্রান্ত সংলাপে এ কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

তিনি বলেন, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন একরকম নয়, তবে জাতীয় নির্বাচনের যে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা এসেছে তা স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের কাজে অনুকূলভাবে প্রয়োগ করা হবে। ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে সার্বিক প্রস্তুতি—সব ধাপে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সানাউল্লাহ আরও জানান, বর্তমান কমিশন নির্বাচন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সুপারিশগুলো গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, কমিশন বর্তমানে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের পৃথক আইনি কাঠামোসমূহ পর্যালোচনা করছে এবং ইতোমধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনার কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এ পর্যালোচনার পর পাওয়া প্রতিবেদন ও সুপারিশগুলো কাজের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও জানান কমিশনার।

একই অনুষ্ঠানায় উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ইইউ’র দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং বিশেষভাবে নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকারে অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন, আইনি সংস্কারের অগ্রগতি এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। কমিশন জানিয়েছে—পর্যবেক্ষক ও নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়ানোই আগামী নির্বাচনের সফলতার মূল চাবিকাঠি হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ‘বাংলাফ্যাক্ট’

ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায়

প্রকাশিতঃ ১০:৪৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

নির্বাচনী পরিবেশকে আরও নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক করতে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতাগুলো স্থানীয় স্তরে কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সংস্কার সংক্রান্ত সংলাপে এ কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

তিনি বলেন, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন একরকম নয়, তবে জাতীয় নির্বাচনের যে শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা এসেছে তা স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের কাজে অনুকূলভাবে প্রয়োগ করা হবে। ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে সার্বিক প্রস্তুতি—সব ধাপে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সানাউল্লাহ আরও জানান, বর্তমান কমিশন নির্বাচন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সুপারিশগুলো গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, কমিশন বর্তমানে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের পৃথক আইনি কাঠামোসমূহ পর্যালোচনা করছে এবং ইতোমধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনার কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এ পর্যালোচনার পর পাওয়া প্রতিবেদন ও সুপারিশগুলো কাজের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলেও জানান কমিশনার।

একই অনুষ্ঠানায় উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। তিনি বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ইইউ’র দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং বিশেষভাবে নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকারে অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন, আইনি সংস্কারের অগ্রগতি এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতকরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। কমিশন জানিয়েছে—পর্যবেক্ষক ও নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়ানোই আগামী নির্বাচনের সফলতার মূল চাবিকাঠি হবে।