১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী: অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ‘বাংলাফ্যাক্ট’ সরকারি তহবিল থেকে বিদেশভ্রমণ ও নতুন গাড়ি ক্রয় বন্ধ ঢাকায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্থায়ী ভিসা সেন্টার স্থাপনের তৎপরতা শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে তাদাও আন্দোর নকশায় আধুনিক ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন লাইব্রেরি’ নির্মাণ অক্টোবর থেকে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: তথ্য উপদেষ্টা মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা: অক্টোবরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের নীতিগত অনুমোদন

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে সরানোর প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রস্তাবটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেড বাস্তবায়নের অনুমতি পায় এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী চার মাসের মধ্যে টার্মিনাল ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় বিষয়টি অনুমোদিত হয়। সভায় কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাঁচপুর বাস টার্মিনালে শেড নির্মাণ, টিকিট কাউন্টার, টয়লেট ও অফিস কক্ষসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক স্থান নির্মাণের কাজ ডিপিএম পদ্ধতিতে করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে সমন্বয় করে স্থায়ী টয়লেট নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কাঁচপুরে পরিকল্পিত টার্মিনালটি দ্রুত কার্যকরী করা হলে ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে এবং যানজট নিরসনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এজন্য রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে কাজ শুরু করার অনুমোদনও দেয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়ন কাজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেড পরিচালনা করবে।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে ৪ হাজার ১২ বর্গমিটার প্ল্যাটফর্ম ঢালাই ও টাইলস স্থাপন, শেডের ছাদের জন্য ১৫ হাজার ৫৭৩ কেজি প্রোফাইল শিট বসানো, ১২০টি টিকিট কাউন্টার নির্মাণ, ৩২টি টয়লেট নির্মাণ এবং টিকিট কাউন্টার ও চারপাশে পার্টিশনসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক নির্মাণ কাজ।

কমিটির অনুমোদনের ফলে পরবর্তী দিনগুলোতে প্রকল্পের সময়সীমা, কাজের সুস্পষ্ট সূচি ও ঠিকাদারি কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত সমন্বয় করে কাজ শুরু করলে ধার্য সময়ের মধ্যে টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ‘বাংলাফ্যাক্ট’

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের নীতিগত অনুমোদন

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে সরানোর প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রস্তাবটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেড বাস্তবায়নের অনুমতি পায় এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী চার মাসের মধ্যে টার্মিনাল ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় বিষয়টি অনুমোদিত হয়। সভায় কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাঁচপুর বাস টার্মিনালে শেড নির্মাণ, টিকিট কাউন্টার, টয়লেট ও অফিস কক্ষসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক স্থান নির্মাণের কাজ ডিপিএম পদ্ধতিতে করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে সমন্বয় করে স্থায়ী টয়লেট নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কাঁচপুরে পরিকল্পিত টার্মিনালটি দ্রুত কার্যকরী করা হলে ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে এবং যানজট নিরসনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এজন্য রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে কাজ শুরু করার অনুমোদনও দেয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়ন কাজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেড পরিচালনা করবে।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে ৪ হাজার ১২ বর্গমিটার প্ল্যাটফর্ম ঢালাই ও টাইলস স্থাপন, শেডের ছাদের জন্য ১৫ হাজার ৫৭৩ কেজি প্রোফাইল শিট বসানো, ১২০টি টিকিট কাউন্টার নির্মাণ, ৩২টি টয়লেট নির্মাণ এবং টিকিট কাউন্টার ও চারপাশে পার্টিশনসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক নির্মাণ কাজ।

কমিটির অনুমোদনের ফলে পরবর্তী দিনগুলোতে প্রকল্পের সময়সীমা, কাজের সুস্পষ্ট সূচি ও ঠিকাদারি কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত সমন্বয় করে কাজ শুরু করলে ধার্য সময়ের মধ্যে টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়েছে।