০৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ঢামেকের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আগৈলঝাড়া থানায় হামলা: পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্বেগ ও নিন্দা মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত: মাহদী আমিন আসুন সবুজ ও নিরাপদ বসতি গড়ে তুলি: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধিতে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান নিযুক্ত এডিবি: চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪.৫% আসুন সবাই মিলে গড়ি সবুজ বসতি: প্রধানমন্ত্রী

বেলজিয়ামকে ২-১ হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেন

২০১০ সালের বিশ্বকাপ জয়কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চের শেষ চারে পৌঁছেছে স্পেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টারফাইনালে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা রোমাঞ্চকর লড়াই করে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণেই ছিল স্পেন। খেলায় প্রথম প্রভাব দেখায় তারা এবং ৩১ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ। চোটাক্রান্ত পেদ্রির পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পেয়ে রুইজ প্রথমার্ধেই নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করলেন। লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে দানি অলমোর শট কোর্তোয়া প্রতিহত করলেও ফিরতি বলে রুইজ জালে বল জড়িয়ে দেন।

তবুও স্পেনের আনন্দ বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ৪০তম মিনিটে শার্ল ডি কেটেলারার শক্তিশালী হেডে সমতা ফিরে আসে এবং প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হয়। দুই দলই দ্বিতীয়ার্ধের জন্য দর্শনীয় লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেয়।

৭০ মিনিটের দিকে বেলজিয়ামের জন্য বড় ধাক্কা আসে যখন দলের মূল গোলক্ষত্র থিবো কোর্তোয়া চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন। তাঁর বদলি হিসেবে নামেন সিন লেমেন্স। ম্যাচের শেষ ভাগে উভয় পক্ষই জয় পেতে তৎপর; একদিকে স্পেন আক্রমণে চাপ বাড়ায়, অন্যদিকে বেলজিয়াম ধারবাহিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

ম্যাচের নাটকীয় এক মুহূর্তে স্পেন বড় বিপদ থেকে বাঁচে—গোলরক্ষক উনাই সিমন বক্সের বাইরে থাকা অবস্থায় সালমেকার্সের ক্রস লক্ষ্যভ্রষ্ট করে দিতে না পারলেও ডিফেন্ডার এইমেরিক লাপোর্তে এক গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাত্মক হস্তক্ষেপ করেন।

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্পেন খালি মুখে ফিরতি আঘাত করলে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো। পাউ কুবারসির শট বদলি গোলরক্ষক লেমেন্স আটকে দিলেও বক্সে ওত পেতে থাকা মেরিনো সেই ফিরতি বলটি সুযোগ বুঝে জালে পাঠিয়ে স্প্যানিশ ভক্তদের উল্লাসে ভরে দেন।

এই জয়ের ফলে স্পেন শিরোপা দৌড়ে আরও এক ধাপ এগোয়, আর বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের স্বপ্নযাত্রা এই টুর্নামেন্টেই শেষ হয়ে যায়। আগামী সেমিফাইনালে স্পেনকে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে, তবে আজকের এই ফুটবল কীর্তি তাদের আত্মবিশ্বাসকে অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বুকে ব্যথায় হাসপাতালে ভর্তি বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক পাভেল

বেলজিয়ামকে ২-১ হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে স্পেন

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

২০১০ সালের বিশ্বকাপ জয়কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চের শেষ চারে পৌঁছেছে স্পেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টারফাইনালে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা রোমাঞ্চকর লড়াই করে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণেই ছিল স্পেন। খেলায় প্রথম প্রভাব দেখায় তারা এবং ৩১ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ফাবিয়ান রুইজ। চোটাক্রান্ত পেদ্রির পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পেয়ে রুইজ প্রথমার্ধেই নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করলেন। লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে দানি অলমোর শট কোর্তোয়া প্রতিহত করলেও ফিরতি বলে রুইজ জালে বল জড়িয়ে দেন।

তবুও স্পেনের আনন্দ বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ৪০তম মিনিটে শার্ল ডি কেটেলারার শক্তিশালী হেডে সমতা ফিরে আসে এবং প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হয়। দুই দলই দ্বিতীয়ার্ধের জন্য দর্শনীয় লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেয়।

৭০ মিনিটের দিকে বেলজিয়ামের জন্য বড় ধাক্কা আসে যখন দলের মূল গোলক্ষত্র থিবো কোর্তোয়া চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন। তাঁর বদলি হিসেবে নামেন সিন লেমেন্স। ম্যাচের শেষ ভাগে উভয় পক্ষই জয় পেতে তৎপর; একদিকে স্পেন আক্রমণে চাপ বাড়ায়, অন্যদিকে বেলজিয়াম ধারবাহিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

ম্যাচের নাটকীয় এক মুহূর্তে স্পেন বড় বিপদ থেকে বাঁচে—গোলরক্ষক উনাই সিমন বক্সের বাইরে থাকা অবস্থায় সালমেকার্সের ক্রস লক্ষ্যভ্রষ্ট করে দিতে না পারলেও ডিফেন্ডার এইমেরিক লাপোর্তে এক গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাত্মক হস্তক্ষেপ করেন।

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্পেন খালি মুখে ফিরতি আঘাত করলে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো। পাউ কুবারসির শট বদলি গোলরক্ষক লেমেন্স আটকে দিলেও বক্সে ওত পেতে থাকা মেরিনো সেই ফিরতি বলটি সুযোগ বুঝে জালে পাঠিয়ে স্প্যানিশ ভক্তদের উল্লাসে ভরে দেন।

এই জয়ের ফলে স্পেন শিরোপা দৌড়ে আরও এক ধাপ এগোয়, আর বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের স্বপ্নযাত্রা এই টুর্নামেন্টেই শেষ হয়ে যায়। আগামী সেমিফাইনালে স্পেনকে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হবে, তবে আজকের এই ফুটবল কীর্তি তাদের আত্মবিশ্বাসকে অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে।