দেশের কর্পোরেট ও অপেশাদার ক্রিকেট অঙ্গনে আবারো উত্তেজনার ঢেউ বইতে যাচ্ছে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-২০’ এর তৃতীয় সিজন দিয়ে। ঢাকা মেভেরিক্স আয়োজন করা এই টুর্নামেন্ট গত দুই আসরে যে সাফল্য দেখিয়েছে, তা মাথায় রেখে এবার 더욱 বড় পরিসর, আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো ও নতুন রোমাঞ্চকর নিয়ম নিয়ে মাঠে ফিরছে।
এইবারের আসরে অংশ নিচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আটটি কর্পোরেট সংস্থা। পুরো টুর্নামেন্টের ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে বিশ্বমানের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি — যেখানে দর্শক, খেলোয়াড় ও আয়োজক সবাই मिलিয়ে দেখতে পাবেন উচ্চমানের ক্রিকেটীয় পরিবেশ। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো দিনের আলোয় অনুষ্ঠিত হবে; তবে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো ফ্লাডলাইটের নিচে ডে-নাইট ফরম্যাটে খেলা হবে, যা পুরো আসরকে একটি আন্তর্জাতিক স্তরের আমেজ দেবে।
গত সিজনের হাই-ভোল্টেজ ফাইনালে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল শক্তিশালী মারকেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি। এবারের টুর্নামেন্টে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের শিরোপা রক্ষার লড়াই, পাশাপাশি রানার্স-আপদের প্রতিশোধের মিশন—সব মিলিয়ে মাঠের ক্রিকেটীয় প্রতিযোগিতা আরও তীব্র ও দর্শনীয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আয়োজক কমিটি টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতা ও পেশাদারিত্ব আরও বাড়াতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত ও নিয়মগত পরিবর্তন এনেছে। প্রতিটি দলকে গ্রুপ পর্বে কমপক্ষে চারটি ম্যাচ খেলার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে, যাতে প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা বজায় থাকে। মাঠের আম্পায়ারিংয়ে থাকবেন বিসিবি তালিকাভুক্ত তিন জন অফিশিয়াল আম্পায়ার, এবং বিতর্কিত রান-আউট ও স্টাম্পিং সিদ্ধান্তগুলোর যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য মাঠের বাইরে দায়িত্বে থাকবেন ডেডিকেটেড টিভি আম্পায়ার।
সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টটি পাঁচটি ক্যামেরা দিয়ে লাইভ সম্প্রচার করা হবে, যেখানে থাকবে উন্নত ইনস্ট্যান্ট রিপ্লে সুবিধা। খেলায় কৌশলগত উত্তেজনা বাড়াতে অ্যাডপ্ট করা হয়েছে আইসিসি ও বিগ ব্যাশ মানের ‘কৌশলগত পাওয়ারপ্লে’—১–৪ ওভার এবং ১০–১৮ ওভারের সেই দুই সময়, যেখানে ব্যাটিং পক্ষ তাদের সুবিধা অনুযায়ী নিবে। তাছাড়া ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পাল্টে দিতে সক্ষম থাকবে ‘সুপার সাব’ ও ‘স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউট’ের মত আধুনিক নিয়মও।
টুর্নামেন্টের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মেভেরিক্স খেলোয়াড়দের যোগ্যতা নির্ধারণে কঠোর বাই-লজ বা নিয়মাবলি আরোপ করেছে। মাঠে শৃঙ্খলা ও স্পোর্টসম্যানশিপ বজায় রাখতে ফুটবল ধারাবাহিকতার অনুকরণে হলুদ ও লালকার্ড ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে।
এই রাজকীয় অনুষ্ঠানের পর্দা উঠবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর — জমকালো ট্রফি উন্মোচন ও ‘ক্যাপ্টেনস মিট’ দিয়ে। বসুন্ধরার বিশ্বমানের উইকেটে থাকছে লাইভ ডিজে, থিম সং, আড়ম্বরপূর্ণ উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান। টুর্নামেন্টের বিস্তৃত মিডিয়া কভারেজ নিশ্চিত করেছে দেশের শীর্ষ স্পোর্টস চ্যানেল (টি-স্পোর্টস এইচডি/নিউজ ২৪)। আয়োজকরা আশা করছেন, ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-২০ সিজন-০৩ বাংলাদেশের অপেশাদার ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























