১০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সামান্থার ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ১০০ কোটির ক্লাবে

ভারতের তেলুগু চলচ্চিত্রে নতুন এক ইতিহাস গড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তাঁর protagonিস্ট ছবিটি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলক ছুঁয়ে প্রথম নারীপ্রধান তেলুগু ছবিরূপে এই কৃতিত্ব অর্জন করল।

এর আগে ২০১৮ সালে কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহানতি’ ৮৩ কোটি রুপি আয় করে নারীপ্রধান তেলুগু ছবির মধ্যে শীর্ষে ছিল—কিন্তু এখন তা দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। এই নতুন রেকর্ড সিনেমা শিল্পে নারীভিত্তিক গল্পকে আরও বড় পরিসরে স্বীকৃতি ও সুযোগ করে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামান্থা এই অসাধারণ খবরটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, তিনি একাই বসে থাকতে ছিলেন; তখনই কারও হাতে একটি আইপ্যাড এসে পৌঁছায়। আইপ্যাডে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’–এর বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশের বিশেষ পোস্টারটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সামান্থার মুখে প্রশস্ত হাসি ফুটে ওঠে।

ভিডিওতে তিনি ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। মন্তব্য করেন যে, মুক্তির আগের দিনগুলোতে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন—দর্শক ছবিটি কতটা গ্রহণ করবেন, প্রচারণার খবর মানুষ পর্যন্ত ঠিকঠাক পৌঁছেছে কিনা ইত্যাদি নিয়ে চিন্তা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দর্শকরা ছবিটি উষ্ণ ভালোবাসায় আলিঙ্গন করেছেন এবং তা তাঁর প্রত্যাশার ওপরও উঠে গেছে।

উপমহাদেশের সিনেমায় মহিলা কেন্দ্রিক গল্পগুলো বড় বক্স অফিস সাফল্য পায় না—এই ধারনাই অনেক সময় চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা সিদ্ধান্তে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। সামান্থার এই অর্জন সেই মানসিকতা চ্যালেঞ্জ করে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিলো। তিনি বলেন, সত্যিকারের পরিবর্তন তখনই আসে যখন কেউ ঝুঁকি নিতে রাজি থাকে, এবং তিনি আশা করেন যে এই সাফল্য পরিবেশক ও দর্শকদের কাছে নারীপ্রধান সিনেমার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করবে।

এই খবর বিনোদনশিল্পে একটা উদ্দীপক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে—এবার বিজয়ী নারীভিত্তিক গল্পগুলো নিয়ে আরও বেশি আলোচনা, বিনিয়োগ ও সুযোগ আসার সম্ভাবনা তৈরি হলো। সামান্থার এই মাইলফলক শুধু তারকা-অভিনেত্রী হিসেবে নয়, বরং নারীকেন্দ্রিক সিনেমার ভবিষ্যতের জন্যও আশা জাগিয়ে দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সামান্থার ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ১০০ কোটির ক্লাবে

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ভারতের তেলুগু চলচ্চিত্রে নতুন এক ইতিহাস গড়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তাঁর protagonিস্ট ছবিটি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি রুপি আয়ের মাইলফলক ছুঁয়ে প্রথম নারীপ্রধান তেলুগু ছবিরূপে এই কৃতিত্ব অর্জন করল।

এর আগে ২০১৮ সালে কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহানতি’ ৮৩ কোটি রুপি আয় করে নারীপ্রধান তেলুগু ছবির মধ্যে শীর্ষে ছিল—কিন্তু এখন তা দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। এই নতুন রেকর্ড সিনেমা শিল্পে নারীভিত্তিক গল্পকে আরও বড় পরিসরে স্বীকৃতি ও সুযোগ করে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামান্থা এই অসাধারণ খবরটি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন ভিডিও পোস্ট করে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, তিনি একাই বসে থাকতে ছিলেন; তখনই কারও হাতে একটি আইপ্যাড এসে পৌঁছায়। আইপ্যাডে ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’–এর বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশের বিশেষ পোস্টারটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সামান্থার মুখে প্রশস্ত হাসি ফুটে ওঠে।

ভিডিওতে তিনি ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। মন্তব্য করেন যে, মুক্তির আগের দিনগুলোতে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন—দর্শক ছবিটি কতটা গ্রহণ করবেন, প্রচারণার খবর মানুষ পর্যন্ত ঠিকঠাক পৌঁছেছে কিনা ইত্যাদি নিয়ে চিন্তা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দর্শকরা ছবিটি উষ্ণ ভালোবাসায় আলিঙ্গন করেছেন এবং তা তাঁর প্রত্যাশার ওপরও উঠে গেছে।

উপমহাদেশের সিনেমায় মহিলা কেন্দ্রিক গল্পগুলো বড় বক্স অফিস সাফল্য পায় না—এই ধারনাই অনেক সময় চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা সিদ্ধান্তে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। সামান্থার এই অর্জন সেই মানসিকতা চ্যালেঞ্জ করে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিলো। তিনি বলেন, সত্যিকারের পরিবর্তন তখনই আসে যখন কেউ ঝুঁকি নিতে রাজি থাকে, এবং তিনি আশা করেন যে এই সাফল্য পরিবেশক ও দর্শকদের কাছে নারীপ্রধান সিনেমার সম্ভাবনাকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করবে।

এই খবর বিনোদনশিল্পে একটা উদ্দীপক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে—এবার বিজয়ী নারীভিত্তিক গল্পগুলো নিয়ে আরও বেশি আলোচনা, বিনিয়োগ ও সুযোগ আসার সম্ভাবনা তৈরি হলো। সামান্থার এই মাইলফলক শুধু তারকা-অভিনেত্রী হিসেবে নয়, বরং নারীকেন্দ্রিক সিনেমার ভবিষ্যতের জন্যও আশা জাগিয়ে দিয়েছে।