০৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সর্বনিম্ন ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা ফসফরিক অ্যাসিড সংকটে ২০ দিন ধরে বন্ধ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার কারখানা আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এলডিসি থেকে মসৃণ উত্তরণে ইইউ ও জি-৭৭ বাংলাদেশের পাশে লোভনীয় চাকরির টোপে কম্বোডিয়ায় বন্দি হচ্ছেন বাংলাদেশিরা

আইআরজিসি দাবি: কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে—কুয়েতে মোতায়েন মার্কিন সামরিক স্থানে সিরিজ হামলার দাবি এনেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আলজাজিরার বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর উন্নত রাডার, ড্রোন হ্যাঙ্গার ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতিতে আইআরজিসির প্রথম দফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতে থাকা একটি দূরপাল্লার রাডার কেন্দ্র, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তারা জানিয়েছে, আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারে আঘাত হলে কয়েকটি ড্রোন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে যায়।

প্রাথমিক বিবৃতির পর আইআরজিসি দ্রুত দ্বিতীয় একটি যৌথ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে থাকা আগাম সতর্কীকরণ রাডার, এফপিএস-১১৭ রাডার ও প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপরও আক্রমণের কথা জানায়। তাদের বক্তব্য—পরবর্তী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করা তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।

আইআরজিসির দাবির পাশাপাশি ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীরও পৃথক এক বিবৃতি আসে। সেখানে বলা হয়েছে, কুয়েতের তিনটি কৌশলগত মার্কিন অবস্থানে কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করে আক্রমণ করা হয়েছে। তারা জানায়, ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও নির্দেশন সম্প্রসারণকারী অ্যান্টেনা, ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে সেনা আবাসনসহ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানান যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতিই আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে বারবার বিঘ্নিত করছে; তাই সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা এই ধরনের প্রতিরোধী পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে আইআরজিসি ও ইরানি সেনাবাহিনীর দাবির প্রেক্ষিতে দ্রুতভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা কুয়েত সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন

আইআরজিসি দাবি: কুয়েতে মার্কিন রাডার ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে—কুয়েতে মোতায়েন মার্কিন সামরিক স্থানে সিরিজ হামলার দাবি এনেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আলজাজিরার বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর উন্নত রাডার, ড্রোন হ্যাঙ্গার ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতিতে আইআরজিসির প্রথম দফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতে থাকা একটি দূরপাল্লার রাডার কেন্দ্র, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তারা জানিয়েছে, আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি এমকিউ-৯ ড্রোন হ্যাঙ্গারে আঘাত হলে কয়েকটি ড্রোন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে যায়।

প্রাথমিক বিবৃতির পর আইআরজিসি দ্রুত দ্বিতীয় একটি যৌথ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে থাকা আগাম সতর্কীকরণ রাডার, এফপিএস-১১৭ রাডার ও প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপরও আক্রমণের কথা জানায়। তাদের বক্তব্য—পরবর্তী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করা তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল।

আইআরজিসির দাবির পাশাপাশি ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীরও পৃথক এক বিবৃতি আসে। সেখানে বলা হয়েছে, কুয়েতের তিনটি কৌশলগত মার্কিন অবস্থানে কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করে আক্রমণ করা হয়েছে। তারা জানায়, ক্যাম্প আরিফজানের প্রশাসনিক ভবন ও নির্দেশন সম্প্রসারণকারী অ্যান্টেনা, ক্যাম্প আল-আদিরির হেলিকপ্টার পার্কিং এবং আহমেদ আল-জাবের ঘাঁটিতে সেনা আবাসনসহ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানান যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতিই আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে বারবার বিঘ্নিত করছে; তাই সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা এই ধরনের প্রতিরোধী পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে আইআরজিসি ও ইরানি সেনাবাহিনীর দাবির প্রেক্ষিতে দ্রুতভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর বা কুয়েত সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।