০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার

কৃষি ব্যাংক মওকুফ করল ৭ লাখেরও বেশি কৃষকের ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার ঋণ

সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সাত লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মোট ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ ৮ হাজার ৬৬৭ টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল ও সুদ মওকুফের ওই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন কৃষক এই বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ তথ্য যাচাই ও হিসাব সমন্বয়ের পর যোগ্যতার ভিত্তিতে এসব ঋণের দায় থেকে কৃষকদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি ক্ষুদ্র-বিস্তীর্ণ ঋণদেনার দীর্ঘদিনের অনাদায়ক সূত্রে পড়া কৃষকদের আর্থিক চাপে কিছুটা শিথিলতা এনে দেবে বলে ব্যাংক কর্মকর্তারা আশা করছেন।

কৃষকেরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উৎপাদন ব্যয়ের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি, বাজার অস্থিরতা ও অন্যান্য আর্থিক বাধার কারণে সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে থাকেন। এর ফলেই বহু কৃষক পুনরায় ব্যাংকিং সেবা ও নতুন ঋণ গ্রহণের সুযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন। মওকুফ কার্যক্রম তাদের ওই অধিকার পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।

ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের মোট কৃষিঋণের প্রায় ৬৩ শতাংশই এককভাবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্লেস করে থাকে। সরকারি ঘোষিত কৃষিঋণ মওকুফ প্রকল্পের প্রায় ৩৯ শতাংশই এই ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ব্যাংকিং পরিষেবা পুনরায় গ্রহণ করার সুযোগ বাড়বে এবং তারা নতুন করে ঋণেরও সঠিকভাবে 접근 পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আশাবাদ ব্যক্ত করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জানিয়েছে, এই উদ্যোগ কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি আনতে সাহায্য করবে। ব্যাংক কৃষকদের সহজ শর্তে অর্থায়ন ও কৃষিবান্ধব সেবা বিস্তারের জন্য ভবিষ্যতেও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়

কৃষি ব্যাংক মওকুফ করল ৭ লাখেরও বেশি কৃষকের ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ টাকার ঋণ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সাত লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মোট ৬০৪ কোটি ৮১ লাখ ৮ হাজার ৬৬৭ টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল ও সুদ মওকুফের ওই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৭ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯ জন কৃষক এই বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ তথ্য যাচাই ও হিসাব সমন্বয়ের পর যোগ্যতার ভিত্তিতে এসব ঋণের দায় থেকে কৃষকদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি ক্ষুদ্র-বিস্তীর্ণ ঋণদেনার দীর্ঘদিনের অনাদায়ক সূত্রে পড়া কৃষকদের আর্থিক চাপে কিছুটা শিথিলতা এনে দেবে বলে ব্যাংক কর্মকর্তারা আশা করছেন।

কৃষকেরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উৎপাদন ব্যয়ের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি, বাজার অস্থিরতা ও অন্যান্য আর্থিক বাধার কারণে সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে থাকেন। এর ফলেই বহু কৃষক পুনরায় ব্যাংকিং সেবা ও নতুন ঋণ গ্রহণের সুযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন। মওকুফ কার্যক্রম তাদের ওই অধিকার পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।

ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের মোট কৃষিঋণের প্রায় ৬৩ শতাংশই এককভাবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্লেস করে থাকে। সরকারি ঘোষিত কৃষিঋণ মওকুফ প্রকল্পের প্রায় ৩৯ শতাংশই এই ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ব্যাংকিং পরিষেবা পুনরায় গ্রহণ করার সুযোগ বাড়বে এবং তারা নতুন করে ঋণেরও সঠিকভাবে 접근 পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আশাবাদ ব্যক্ত করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জানিয়েছে, এই উদ্যোগ কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি আনতে সাহায্য করবে। ব্যাংক কৃষকদের সহজ শর্তে অর্থায়ন ও কৃষিবান্ধব সেবা বিস্তারের জন্য ভবিষ্যতেও সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।