০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এপ্রিলেই ভারত থেকে আরও ১৭ হাজার টন ডিজেল আসছে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন কক্সবাজার থেকে শিগগিরই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু হবে: বিমানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা: ১ জুলাই থেকে পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু প্রধানমন্ত্রী জানালেন: সরকারি ৫ লাখ কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত পহেলা বৈশাখে ধর্ম-বর্ণ বিভেদের কোনো স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মাজারে জিয়ারত প্রধানমন্ত্রী: গাছে আম-জাম ধরলে পাঠাবেন, আমি হাতে খেয়ে দেখব টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মাজারে জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

টুইটার না কেনার ‘সুযোগ নেই’ মাস্কের

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার কেনার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন আমেরিকান ধনকুবের ইলন মাস্ক। টুইটারের শেয়ারহোল্ডাররা ৪৪ বিলিয়ন ডলারে মাস্কের কাছে প্ল্যাটফর্মটি বিক্রি করতে একটি চুক্তি অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন

প্রতিষ্ঠানটির সান ফ্রান্সিসকো সদর দপ্তর থেকে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত এক সম্মেলনে মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে টুইটার আদালতে ইলন মাস্ককে কোম্পানিটি কিনতে বাধ্য করার চেষ্টা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সামনে টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকোর ‘চাঞ্চল্যকর সাক্ষের’ পর পরই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

গত এপ্রিলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের কাছে কোম্পানিটি বিক্রি করতে সম্মত হয় টুইটার। তবে টুইটারের কিছু কার্যক্রম নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে চুক্তিটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়।

মাস্ক জানিয়েছিলেন, মে মাসে টুইটার কিনতে চান না তিনি। তবে টুইটার সে সময় যুক্তি দিয়েছিল যে মাস্কের এখন চুক্তি থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

টুইটারের বর্তমান দাম ৩২ বিলিয়ন ডলার। মাস্ক সেটিকে ১২ বিলিয়ন ডলার বেশি দিয়ে কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মঙ্গলবারের ভোট টুইটারের আইনি জটিলতার অবসান ঘটাতে পারত। তবে শেয়ারহোল্ডাররা বেছে নিয়েছেন অন্য পথ। তাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে টুইটার এখন ইলন মাস্কের আদালত পর্যন্ত টেনে নিতে পারবে।

আগামী মাসে ডেলাওয়ার রাজ্য আদালতে মাস্ক ও জাটকোর দেখা হওয়ার কথা রয়েছে। মাস্ককে টুইটার কিনতে হবে কি না, শুনানি শেষে বিচারক তা নির্ধারণ করবেন।

শেয়ারহোল্ডারদের সিদ্ধান্তের ঠিক আগে টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকো ওয়াশিংটনে সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির সামনে ‘কথিত নিরাপত্তা ত্রুটির’ বিষয়ে সাক্ষ্য দেন।

তিনি জানান, প্ল্যাটফর্মটি কতটা নিরাপদ সে সম্পর্কে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে টুইটার।

জাটকোর দাবি, টুইটারের নিরাপত্তার মানদণ্ড অনেক পিছিয়ে আছে। তবে টুইটার বলছে, জাটকোকে তার চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওনার দাবিগুলো সঠিক নয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি

টুইটার না কেনার ‘সুযোগ নেই’ মাস্কের

প্রকাশিতঃ ০৮:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার কেনার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন আমেরিকান ধনকুবের ইলন মাস্ক। টুইটারের শেয়ারহোল্ডাররা ৪৪ বিলিয়ন ডলারে মাস্কের কাছে প্ল্যাটফর্মটি বিক্রি করতে একটি চুক্তি অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন

প্রতিষ্ঠানটির সান ফ্রান্সিসকো সদর দপ্তর থেকে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত এক সম্মেলনে মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে টুইটার আদালতে ইলন মাস্ককে কোম্পানিটি কিনতে বাধ্য করার চেষ্টা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সামনে টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকোর ‘চাঞ্চল্যকর সাক্ষের’ পর পরই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

গত এপ্রিলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের কাছে কোম্পানিটি বিক্রি করতে সম্মত হয় টুইটার। তবে টুইটারের কিছু কার্যক্রম নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে চুক্তিটি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়।

মাস্ক জানিয়েছিলেন, মে মাসে টুইটার কিনতে চান না তিনি। তবে টুইটার সে সময় যুক্তি দিয়েছিল যে মাস্কের এখন চুক্তি থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

টুইটারের বর্তমান দাম ৩২ বিলিয়ন ডলার। মাস্ক সেটিকে ১২ বিলিয়ন ডলার বেশি দিয়ে কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মঙ্গলবারের ভোট টুইটারের আইনি জটিলতার অবসান ঘটাতে পারত। তবে শেয়ারহোল্ডাররা বেছে নিয়েছেন অন্য পথ। তাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে টুইটার এখন ইলন মাস্কের আদালত পর্যন্ত টেনে নিতে পারবে।

আগামী মাসে ডেলাওয়ার রাজ্য আদালতে মাস্ক ও জাটকোর দেখা হওয়ার কথা রয়েছে। মাস্ককে টুইটার কিনতে হবে কি না, শুনানি শেষে বিচারক তা নির্ধারণ করবেন।

শেয়ারহোল্ডারদের সিদ্ধান্তের ঠিক আগে টুইটারের সাবেক নিরাপত্তাপ্রধান পিটার জাটকো ওয়াশিংটনে সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির সামনে ‘কথিত নিরাপত্তা ত্রুটির’ বিষয়ে সাক্ষ্য দেন।

তিনি জানান, প্ল্যাটফর্মটি কতটা নিরাপদ সে সম্পর্কে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে টুইটার।

জাটকোর দাবি, টুইটারের নিরাপত্তার মানদণ্ড অনেক পিছিয়ে আছে। তবে টুইটার বলছে, জাটকোকে তার চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওনার দাবিগুলো সঠিক নয়।