১১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইআরকিউ হিসাব খোলার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সব ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য রপ্তানি রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাব খোলার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এমএফএসের মাধ্যমে আয় দেশে আনা কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী শাখা নেই এমন এলাকায়ও এ সুবিধা দিতে হবে। এসব এলাকার ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আন্তর্জাতিক ডেবিট, ক্রেডিট বা প্রিপেইড কার্ড ইস্যু করতে হবে। গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী নয়, এমন শাখার মাধ্যমে আয় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এডি শাখা বা সেন্ট্রাল ট্রেড প্রসেসিং সেন্টার কিংবা প্রধান কার্যালয়ের সহায়তায় অন্য উপায়ে ইআরকিউ হিসাব খোলা ও আন্তর্জাতিক কার্ড সেবা দিতে হবে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে আয় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সেটেলমেন্ট ব্যাংককে ইআরকিউ হিসাব খোলাসহ আন্তর্জাতিক কার্ড ইস্যুর ব্যবস্থা করতে হবে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজ করতে দেশের বাইরে নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় দেশের বাইরে ডলার পাঠানোর প্রয়োজন হয়। নিজের ইআরকিউ হিসাব থেকে এসব খরচ মেটানোর সুযোগ পেলে আর বাড়তি দরে বাজার থেকে কিনতে হবে না। ফ্রিল্যান্সারের নামে আন্তর্জাতিক কার্ড থাকলে বিভিন্ন পরিশোধ করা সহজ হয়। বর্তমানে অনেক ব্যাংক এ ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। আবার ব্যাংকের এডি শাখা থেকে এ সুবিধা মিললেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের জন্য মিলছে না। যে কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নির্দেশনা দিল।

বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নীতিমালা অনুযায়ী, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো আয়ের একটি অংশ বৈদেশিক মুদ্রায় খোলা ইআরকিউ হিসাবে জমা রাখতে পারে। রপ্তানির পরিমাণ বিবেচনায় এ ধরনের হিসাবে ১৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করা যায়। পরে কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি, বিদেশে অবস্থিত লিয়াজোঁ অফিস রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ব্যয় মেটাতে যা ব্যয় করার সুযোগ পায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইআরকিউ হিসাব খোলার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

প্রকাশিতঃ ০১:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সব ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য রপ্তানি রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাব খোলার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এমএফএসের মাধ্যমে আয় দেশে আনা কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী শাখা নেই এমন এলাকায়ও এ সুবিধা দিতে হবে। এসব এলাকার ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আন্তর্জাতিক ডেবিট, ক্রেডিট বা প্রিপেইড কার্ড ইস্যু করতে হবে। গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী নয়, এমন শাখার মাধ্যমে আয় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এডি শাখা বা সেন্ট্রাল ট্রেড প্রসেসিং সেন্টার কিংবা প্রধান কার্যালয়ের সহায়তায় অন্য উপায়ে ইআরকিউ হিসাব খোলা ও আন্তর্জাতিক কার্ড সেবা দিতে হবে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে আয় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে সেটেলমেন্ট ব্যাংককে ইআরকিউ হিসাব খোলাসহ আন্তর্জাতিক কার্ড ইস্যুর ব্যবস্থা করতে হবে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজ করতে দেশের বাইরে নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় দেশের বাইরে ডলার পাঠানোর প্রয়োজন হয়। নিজের ইআরকিউ হিসাব থেকে এসব খরচ মেটানোর সুযোগ পেলে আর বাড়তি দরে বাজার থেকে কিনতে হবে না। ফ্রিল্যান্সারের নামে আন্তর্জাতিক কার্ড থাকলে বিভিন্ন পরিশোধ করা সহজ হয়। বর্তমানে অনেক ব্যাংক এ ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। আবার ব্যাংকের এডি শাখা থেকে এ সুবিধা মিললেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের জন্য মিলছে না। যে কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নির্দেশনা দিল।

বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় নীতিমালা অনুযায়ী, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো আয়ের একটি অংশ বৈদেশিক মুদ্রায় খোলা ইআরকিউ হিসাবে জমা রাখতে পারে। রপ্তানির পরিমাণ বিবেচনায় এ ধরনের হিসাবে ১৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করা যায়। পরে কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি, বিদেশে অবস্থিত লিয়াজোঁ অফিস রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ব্যয় মেটাতে যা ব্যয় করার সুযোগ পায়।