১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

জুলাইয়ে বাংলাদেশি ঋণ পরিশোধ ৪৪৬.৬৮ মিলিয়ন ডলার

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে, জুলাইয়ে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে মোট ৪৪৬.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই তথ্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। প্রতিবেদনের অনুযায়ী, জুলাইয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে মূল আর সুদ বাবদ এই অর্থ পরিশোধ করেছে। আগের অর্থবছরের (অর্থবছর ২০২৪-২৫) একই মাসে পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৩৮৫.৬৭ মিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে সরকারের মূল পরিশোধ হয়েছে ৩২৭.৭২ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাইয়ে এটি ছিল ২৬৪.৮৮ মিলিয়ন ডলার। সুতরাং, মূল অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে।

অপরদিকে, জ্বালানি ও সুদ বাবদ বাংলাদেশের নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ হয়েছে ১১৮.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের জুলাইয়ে ছিল ১২০.৭৯ ডলার। অর্থাৎ, কিছুটা কমে এসেছে এই খরচ।

অন্যদিকে, এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ২০২.৭৫ মিলিয়ন ডলার, ও অন্যান্য নতুন প্রতিশ্রুতি এসেছে ৮৩.৪৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১৬.৪০ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, নতুন ঋণের অঙ্গীকার বাড়ছে।

অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ মিলিয়ে মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪.০৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষে দেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪.৩৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়েছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে নতুন ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে মোট ৮.৩২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় কম। একইভাবে, ঋণ বিতরণও কমে দাঁড়িয়েছে, মোট ৮.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় কম।

অর্থাৎ, ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশি অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ঋণ কার্যক্রমে বিভিন্ন উন্নয়ন ব্যাংক ও সংস্থাগুলি বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৭৭.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংক ৫৯.০৭ মিলিয়ন, জাপান ১৭.২৪ মিলিয়ন, ভারত ১৩.৬২ মিলিয়ন এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরা এসব ঋণ বিতরণে অংশ নিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

জুলাইয়ে বাংলাদেশি ঋণ পরিশোধ ৪৪৬.৬৮ মিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ১০:৫০:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে, জুলাইয়ে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে মোট ৪৪৬.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই তথ্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। প্রতিবেদনের অনুযায়ী, জুলাইয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে মূল আর সুদ বাবদ এই অর্থ পরিশোধ করেছে। আগের অর্থবছরের (অর্থবছর ২০২৪-২৫) একই মাসে পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৩৮৫.৬৭ মিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে সরকারের মূল পরিশোধ হয়েছে ৩২৭.৭২ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাইয়ে এটি ছিল ২৬৪.৮৮ মিলিয়ন ডলার। সুতরাং, মূল অর্থের পরিশোধের ক্ষেত্রেও উন্নতি হয়েছে।

অপরদিকে, জ্বালানি ও সুদ বাবদ বাংলাদেশের নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ হয়েছে ১১৮.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের জুলাইয়ে ছিল ১২০.৭৯ ডলার। অর্থাৎ, কিছুটা কমে এসেছে এই খরচ।

অন্যদিকে, এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ২০২.৭৫ মিলিয়ন ডলার, ও অন্যান্য নতুন প্রতিশ্রুতি এসেছে ৮৩.৪৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১৬.৪০ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, নতুন ঋণের অঙ্গীকার বাড়ছে।

অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ মিলিয়ে মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৪.০৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষে দেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪.৩৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়েছে।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে নতুন ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে মোট ৮.৩২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় কম। একইভাবে, ঋণ বিতরণও কমে দাঁড়িয়েছে, মোট ৮.৫৬৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় কম।

অর্থাৎ, ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশি অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই ঋণ কার্যক্রমে বিভিন্ন উন্নয়ন ব্যাংক ও সংস্থাগুলি বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। সবচেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৭৭.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংক ৫৯.০৭ মিলিয়ন, জাপান ১৭.২৪ মিলিয়ন, ভারত ১৩.৬২ মিলিয়ন এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরা এসব ঋণ বিতরণে অংশ নিয়েছে।