০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৯ শতাংশ, তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগস্ট মাসে দেশের মোট মূল্যস্ফীতি গত তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য এক স্বস্তির খবর। এই মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে খাদ্য সামগ্রীতে কিছুটা অস্বস্তি রয়ে গেছে; আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির দিকে এগিয়েছে, যেখানে খাদ্যখাতে এই হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের থেকে ০.০৪ শতাংশ বেশি।

রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২০২২ সালের আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার পৌঁছেছে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশে। ফলে বোঝা যায়, এই বছর আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার এখনও অনেকটা কম।

অন্যদিকে, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সেই হিসাবে, জুলাই থেকে আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে ০ দশমিক ২৬ শতাংশ। গত বছর আগস্টে এটি ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

খাদ্য মุ่มূল্যস্ফীতির দিকে নজর দিলে দেখা যায়, আগস্টে এই হার বেড়েছে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশে, যা জুলাইয়ের ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে, ২০২৪ সালের আগস্টে খাদ্যসামগ্রী মূল্যস্ফীতি ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা অনেক বেশি।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আগস্ট মাসে কমে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে এসেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে আগস্টে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্বল্প আয়ের ও দক্ষতা কম শ্রমিকদের জন্যে মজুরি বৃদ্ধির হার সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে। এর ফলে টানা ৪৩ মাস ধরে, মজুরি বৃদ্ধি হার মূল্যস্ফীতির হারকে পেরতে পারেনি। এই পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে মূল্যস্ফীতি হার না কমলে ক্রয়ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে।