০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

কাঁচামরিচের দাম আবার ৩০০ টাকার বেশি

টানা বৃষ্টিপাত ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজার, মহাখালী, হাতিরপুল, ফকিরাপুল ও গোপীবাগের মতো প্রধান বাজারগুলোতে কাঁচামরিচের দাম এক ঝলকেই কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় পেঁৗছেছে। এর আগে বুধবার কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছিল মাত্র ২০০ টাকায়।

শুধু কাঁচামরিচ নয়, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ক্রমশ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বাজারে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এসব পণ্যের দাম। এতে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি রেহাই পাচ্ছে না তাঁদের ব্যয় হিসেবও।

সেগুনবাগিচার এক সবজি বিক্রেতা আব্দুল হাই জানিয়েছেন, “পাইকারি বাজারে হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। আমরা বাধ্য হয়ে খুচরা পর্যায়ে এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে পারছি।”

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে সবজি তোলা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক নিম্নাঞ্চল পানির নিচে ডুবে গেছে। ফলে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোর থেকে সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

সবজি ব্যবসায়ী খলিল বলেন, “বৃষ্টির কারণে কৃষকরা খেত থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। জলাবদ্ধতার জন্য অনেক খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে শীতের মৌসুমে আসা বিভিন্ন সবজির উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত। এটা বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিচ্ছে এবং দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।”

বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ফুলকপি ৮০-১০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, লাউ ৭০-৮০ টাকা এবং কুমড়া ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ঢেঁড়স, পুঁইশাক, মূলা, ধনেপাতা ও অন্যান্য সবজির দামও গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে বৃষ্টিকে অজুহাত করে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ সংকট থাকায় নিজেকে রক্ষা করতে উচ্চমূল্যে কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা বিক্রয়েও দাম বেশি রাখতে হয়।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এই পরিস্থিতি এমনই থাকলে আগাম শীতকালীন সবজির বাজারেও এর প্রভাব পড়বে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং জোরদার না করলে ভোক্তাদের কষ্ট আরও বাড়বে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

কাঁচামরিচের দাম আবার ৩০০ টাকার বেশি

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

টানা বৃষ্টিপাত ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজার, মহাখালী, হাতিরপুল, ফকিরাপুল ও গোপীবাগের মতো প্রধান বাজারগুলোতে কাঁচামরিচের দাম এক ঝলকেই কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় পেঁৗছেছে। এর আগে বুধবার কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছিল মাত্র ২০০ টাকায়।

শুধু কাঁচামরিচ নয়, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ক্রমশ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বাজারে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এসব পণ্যের দাম। এতে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি রেহাই পাচ্ছে না তাঁদের ব্যয় হিসেবও।

সেগুনবাগিচার এক সবজি বিক্রেতা আব্দুল হাই জানিয়েছেন, “পাইকারি বাজারে হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। আমরা বাধ্য হয়ে খুচরা পর্যায়ে এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে পারছি।”

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে সবজি তোলা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক নিম্নাঞ্চল পানির নিচে ডুবে গেছে। ফলে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোর থেকে সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

সবজি ব্যবসায়ী খলিল বলেন, “বৃষ্টির কারণে কৃষকরা খেত থেকে সবজি তুলতে পারছেন না। জলাবদ্ধতার জন্য অনেক খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে শীতের মৌসুমে আসা বিভিন্ন সবজির উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত। এটা বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিচ্ছে এবং দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।”

বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ফুলকপি ৮০-১০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, লাউ ৭০-৮০ টাকা এবং কুমড়া ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়া ঢেঁড়স, পুঁইশাক, মূলা, ধনেপাতা ও অন্যান্য সবজির দামও গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে বৃষ্টিকে অজুহাত করে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ সংকট থাকায় নিজেকে রক্ষা করতে উচ্চমূল্যে কিনতে হচ্ছে, তাই খুচরা বিক্রয়েও দাম বেশি রাখতে হয়।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এই পরিস্থিতি এমনই থাকলে আগাম শীতকালীন সবজির বাজারেও এর প্রভাব পড়বে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং জোরদার না করলে ভোক্তাদের কষ্ট আরও বাড়বে।