১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পুঁজিবাজারে দরপতনের মাঝেও মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা বেড়ে গেছে

গত সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এবং ইউনিটের মূল্য কমলেও বাজারের মূলধন মোটের ওপর বেড়ে গেছে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি। এর কারণ হলো, এর পাশাপাশি অনেক প্রতিষ্ঠান আহরণ করেছে মূল্যবৃদ্ধি, যা বাজারের সামগ্রিক অবস্থানে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন শুক্রবার শেষে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, যা আগে ছিল ৭ লাখ ২৩ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। এক সপ্তাহে এর অর্থমূল্য বেড়েছে ১ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা বা ০.২২ শতাংশ। তবে, এর আগে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে বাজার মূলধন হ্রাস পেয়েছিল, প্রথম সপ্তাহে এবং দ্বিতীয় সপ্তাহে যথাক্রমে ১ হাজার ১৮ কোটি টাকা এবং ১৪৬ কোটি টাকা।

অবশ্য, এটি বিকাশের মূল কারণ হলো, দরপতনের মধ্যেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের শেয়ারের দাম বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইর ১৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য বেড়েছে। অন্যদিকে, দাম কমেছে ২১৫টির এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ, দাম কমার তুলনায় দাম বাড়ার প্রতিষ্ঠান সংখ্যা দ্বিগুণের কাছাকাছি।

প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সও সামগ্রিকভাবে বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে এটি ০.৬৬ পয়েন্ট বা ০.১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৪৮.০ পয়েন্ট। পরবর্তী সপ্তাহে সূচকটি আগের মতো পতনশীল ছিল, কিন্তু এই সপ্তাহে সামান্য বৃদ্ধি এলো। পাশাপাশি, লেনদেনের গতি বেড়ে গড় দৈনিক লেনদেন হয়েছে ৬২০ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বা ৬.২৩ শতাংশ বেশি।

নিয়মিত ট্রেডের এই বৃদ্ধি ও বাজারের সাম্প্রতিক গতিশীলতা বিনিয়োগকারীদের জন্য আশাজনক। যদিও দরপতনের প্রবণতা চললেও সামগ্রিক বাজারের গড় মূল্য ও মূলধন বৃদ্ধির কারণে বাজারের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পুঁজিবাজারে দরপতনের মাঝেও মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা বেড়ে গেছে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

গত সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এবং ইউনিটের মূল্য কমলেও বাজারের মূলধন মোটের ওপর বেড়ে গেছে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি। এর কারণ হলো, এর পাশাপাশি অনেক প্রতিষ্ঠান আহরণ করেছে মূল্যবৃদ্ধি, যা বাজারের সামগ্রিক অবস্থানে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন শুক্রবার শেষে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, যা আগে ছিল ৭ লাখ ২৩ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। এক সপ্তাহে এর অর্থমূল্য বেড়েছে ১ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা বা ০.২২ শতাংশ। তবে, এর আগে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে বাজার মূলধন হ্রাস পেয়েছিল, প্রথম সপ্তাহে এবং দ্বিতীয় সপ্তাহে যথাক্রমে ১ হাজার ১৮ কোটি টাকা এবং ১৪৬ কোটি টাকা।

অবশ্য, এটি বিকাশের মূল কারণ হলো, দরপতনের মধ্যেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের শেয়ারের দাম বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইর ১৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য বেড়েছে। অন্যদিকে, দাম কমেছে ২১৫টির এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ, দাম কমার তুলনায় দাম বাড়ার প্রতিষ্ঠান সংখ্যা দ্বিগুণের কাছাকাছি।

প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সও সামগ্রিকভাবে বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে এটি ০.৬৬ পয়েন্ট বা ০.১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৪৮.০ পয়েন্ট। পরবর্তী সপ্তাহে সূচকটি আগের মতো পতনশীল ছিল, কিন্তু এই সপ্তাহে সামান্য বৃদ্ধি এলো। পাশাপাশি, লেনদেনের গতি বেড়ে গড় দৈনিক লেনদেন হয়েছে ৬২০ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বা ৬.২৩ শতাংশ বেশি।

নিয়মিত ট্রেডের এই বৃদ্ধি ও বাজারের সাম্প্রতিক গতিশীলতা বিনিয়োগকারীদের জন্য আশাজনক। যদিও দরপতনের প্রবণতা চললেও সামগ্রিক বাজারের গড় মূল্য ও মূলধন বৃদ্ধির কারণে বাজারের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।