১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি যুক্তরাজ্য নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী সরানোর নির্দেশ দিলেন অভিনন্দনবাণী সহ বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত অপসারণের অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনই লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর ভাষ্য, একমাত্র একটি সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারব, অন্য কোনও বিকল্প আমাদের সামনে নেই।

গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। সবাই মিলেই যদি দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সফল হবে বলে তিনি দৃঢ় উচ্চারণ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এইচ এম নুরুল হুদা ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম উল্লেখ করেন, নির্বাচনে প্রায় ৯ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য মাঠে থাকবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল কোর্ট, অ্যাক্টিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মনিটরিং টিম ও অবজারভেশন টিম—all মাঠে থাকবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী ও উদ্বেগহীন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশ থেকে প্রায় ৪৩ হাজার প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচন নিয়োজিত হয়েছেন। এরা নির্বাচনের মূল পার্টি—প্রিজাইডিং অফিসাররা যেন তার দায়িত্বে সবসময় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সচেতন থাকেন, সে লক্ষ্য রেখেই কাজ করছি।

নির্বাচনী আচরণবিধির বাইরে থাকা অঙ্গীকারনামাগুলোর ব্যাপারে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আনুগত্যের নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য দুটি অঙ্গীকারনামা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাতে প্রার্থীর যোগ্যতা বাতিলের বিষয় এবং অন্যান্য কঠোর বিধানগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আইন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং এর মাধ্যমেই অতীতের ভুলগুলো শুধরে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তিনি বলেন, অনেক নিয়মের মধ্যে প্রার্থিতা বাতিল ও আসন বাতিলের বিধানও রয়েছে, যা নির্বাচনকে আরো সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করে তুলবে।

অন্তিমভাবে, তিনি বলেন, বাজেট ও সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তিতে আমরা ভুলগুলো মাথায় রেখে নতুন করে বদ্ধপরিকর, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি

নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন: অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনই লক্ষ্য

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর ভাষ্য, একমাত্র একটি সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে পারব, অন্য কোনও বিকল্প আমাদের সামনে নেই।

গতকাল রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সুস্থ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। সবাই মিলেই যদি দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সফল হবে বলে তিনি দৃঢ় উচ্চারণ করেন।

প্রসঙ্গত, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এইচ এম নুরুল হুদা ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম উল্লেখ করেন, নির্বাচনে প্রায় ৯ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য মাঠে থাকবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল কোর্ট, অ্যাক্টিভ ম্যাজিস্ট্রেট, মনিটরিং টিম ও অবজারভেশন টিম—all মাঠে থাকবে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী ও উদ্বেগহীন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশ থেকে প্রায় ৪৩ হাজার প্রিজাইডিং অফিসার নির্বাচন নিয়োজিত হয়েছেন। এরা নির্বাচনের মূল পার্টি—প্রিজাইডিং অফিসাররা যেন তার দায়িত্বে সবসময় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সচেতন থাকেন, সে লক্ষ্য রেখেই কাজ করছি।

নির্বাচনী আচরণবিধির বাইরে থাকা অঙ্গীকারনামাগুলোর ব্যাপারে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আনুগত্যের নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য দুটি অঙ্গীকারনামা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাতে প্রার্থীর যোগ্যতা বাতিলের বিষয় এবং অন্যান্য কঠোর বিধানগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আইন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং এর মাধ্যমেই অতীতের ভুলগুলো শুধরে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তিনি বলেন, অনেক নিয়মের মধ্যে প্রার্থিতা বাতিল ও আসন বাতিলের বিধানও রয়েছে, যা নির্বাচনকে আরো সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করে তুলবে।

অন্তিমভাবে, তিনি বলেন, বাজেট ও সামগ্রিক প্রস্তুতির ভিত্তিতে আমরা ভুলগুলো মাথায় রেখে নতুন করে বদ্ধপরিকর, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।