০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইরানের দাবি: বাহরাইনে মার্কিন বিমানঘাঁটি ধ্বংস

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় অবস্থিত মার্কিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে এবং ঘাঁটিটি ধ্বংস হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে আইআরজিসি কিছু ভিডিওও প্রকাশ করেছে, যেখানে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করতে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে পরিচালিত অভিযানে তারা মোট ২০টি আত্মঘাতী ড্রোন ও ৩টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। হামলার মূল লক্ষ্য হিসেবে তারা ওই ঘাঁটির প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (কমান্ড সেন্টার) ও সদর দফতরকে উল্লেখ করেছে এবং দাবি করেছে এসব ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে; ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংকগুলোতেও ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড দেখা দিয়েছে।

তবে এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহরাইনের একটি মার্কিন নৌঘাঁটি এলাকা থেকে ধোঁয়ার চাদর উঠে আসার কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়ালেও যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বাহরাইন সরকারও তৎক্ষণিকভাবে কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি।

ঘটনার পর আমেরিকার পররাষ্ট্র দফর একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত এক ডজন দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকরা অবিলম্বে চলে যেতে বলতে পারে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনী ও তাদের মিত্ররা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি আইআরজিসির কমান্ড সেন্টার ধ্বংসের দাবি সঠিক প্রমাণিত হয়, তাহলে তা সংঘটিত হলে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম ও নজরদারিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবং অঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন, আরও ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। আইআরজিসির এ ধরনের আক্রমণাত্মক কৌশল ইঙ্গিত দেয় যে তারা সম্ভাব্য শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া ভেতরকার প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপে জোরালো ভূমিকা নিতে প্রস্তুত।

সব মিলিয়ে শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে রবিবারের দাবি করা হামলা বিশ্বরাজনীতিতে নতুন অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল এবং স্বাধীন, নিরপেক্ষ সূত্রে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ যাচাই এখনও বাকি। আরও তথ্য পাওয়া মাত্র তা উল্লেখ করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইরানের দাবি: বাহরাইনে মার্কিন বিমানঘাঁটি ধ্বংস

প্রকাশিতঃ ০৩:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে তারা বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় অবস্থিত মার্কিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে এবং ঘাঁটিটি ধ্বংস হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে আইআরজিসি কিছু ভিডিওও প্রকাশ করেছে, যেখানে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করতে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে পরিচালিত অভিযানে তারা মোট ২০টি আত্মঘাতী ড্রোন ও ৩টি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। হামলার মূল লক্ষ্য হিসেবে তারা ওই ঘাঁটির প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (কমান্ড সেন্টার) ও সদর দফতরকে উল্লেখ করেছে এবং দাবি করেছে এসব ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে; ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংকগুলোতেও ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড দেখা দিয়েছে।

তবে এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহরাইনের একটি মার্কিন নৌঘাঁটি এলাকা থেকে ধোঁয়ার চাদর উঠে আসার কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়ালেও যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বাহরাইন সরকারও তৎক্ষণিকভাবে কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি।

ঘটনার পর আমেরিকার পররাষ্ট্র দফর একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত এক ডজন দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকরা অবিলম্বে চলে যেতে বলতে পারে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনী ও তাদের মিত্ররা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি আইআরজিসির কমান্ড সেন্টার ধ্বংসের দাবি সঠিক প্রমাণিত হয়, তাহলে তা সংঘটিত হলে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম ও নজরদারিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবং অঞ্চলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন, আরও ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। আইআরজিসির এ ধরনের আক্রমণাত্মক কৌশল ইঙ্গিত দেয় যে তারা সম্ভাব্য শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া ভেতরকার প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপে জোরালো ভূমিকা নিতে প্রস্তুত।

সব মিলিয়ে শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে রবিবারের দাবি করা হামলা বিশ্বরাজনীতিতে নতুন অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি এখনও পরিবর্তনশীল এবং স্বাধীন, নিরপেক্ষ সূত্রে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ যাচাই এখনও বাকি। আরও তথ্য পাওয়া মাত্র তা উল্লেখ করা হবে।