০৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

জাইকা, এলজিডি ও এসডিসির সহযোগিতায় নগর উন্নয়ন কর্মশালা

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি) এর যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ঢাকা শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই এইচআরটি অবলোপে, ‘নগর সুশাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণের পটভূমিতে সুষ্ঠু নগর সুশাসন ও স্থায়ী অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধাগুলো তুলে ধরা হয়। এক্ষেত্রে, ভবিষ্যতের জন্য আরও স্মার্ট, বাসযোগ্য ও অবকাঠামোসমৃদ্ধ শহর গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে জাইকা তাদের ক্যাপাসিটি ফর সিটিজ (সিফোরসি) কর্মসূচি এবং এসডিসির ‘প্রবৃদ্ধি: লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এলইডি)’ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি) এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছে। এই দুটি প্রকল্পের লক্ষ্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানো। এই প্রেক্ষাপটে, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা শেয়ার, সাফল্য পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। এতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের অংশীদার, শিক্ষাবিদ এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে শহরের প্রতিনিধি দল বাজেট প্রস্তুতি, রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ, স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নাগরিক সম্পৃক্ততা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং কর্মক্ষমতা সূচক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, উভয় প্রকল্পের সফলতা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলো প্রদর্শনের জন্য একটি গ্যালারি নির্মিত হয়। সিফোরসি প্রকল্পটি আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ও টুলসের মাধ্যমে পৌরসভার সুশাসন ও সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করছে, যাতে সহজে সেবা প্রদান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। এটি বার্ষিক সিটি গভর্নেন্স অ্যাসেসমেন্ট (সিজিএ) এর মাধ্যমে মূল্যায়িত হয়। অন্যদিকে, ‘প্রবৃদ্ধি’ প্রকল্পটি পৌর এলাকাগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা বাড়ানো, ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নত করা এবং স্মার্ট অবকাঠামো বাস্তবায়নে অগ্রগামী। এর ফলস্বরূপ, মিউনিসিপ্যাল কম্পিটিটিভনেস ইনডেক্স (এমসিআই) সহ নানা টুলের উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও তার অংশীদারদের সঙ্গে এই কর্মশালার আয়োজন গণতান্ত্রিক ও টেকসই নগর উন্নয়নের প্রতি জাইকা ও এসডিসির অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্মার্ট, শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল শহর গড়ে তোলার জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ চালিয়ে যাওয়া। এই কর্মশালার মাধ্যমে দেশের গোটা নগর উন্নয়নের প্রক্রিয়াগুলোকে আরও নতুন দৃষ্টিকোণ ও উৎসাহে এগিয়ে নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাই একসাথে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জাতিসংঘ: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচে ৮ কোটি মানুষের জীবন রক্ষা করা যেত

জাইকা, এলজিডি ও এসডিসির সহযোগিতায় নগর উন্নয়ন কর্মশালা

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি) এর যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ঢাকা শহরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই এইচআরটি অবলোপে, ‘নগর সুশাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণের পটভূমিতে সুষ্ঠু নগর সুশাসন ও স্থায়ী অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধাগুলো তুলে ধরা হয়। এক্ষেত্রে, ভবিষ্যতের জন্য আরও স্মার্ট, বাসযোগ্য ও অবকাঠামোসমৃদ্ধ শহর গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে জাইকা তাদের ক্যাপাসিটি ফর সিটিজ (সিফোরসি) কর্মসূচি এবং এসডিসির ‘প্রবৃদ্ধি: লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এলইডি)’ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি) এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছে। এই দুটি প্রকল্পের লক্ষ্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানো। এই প্রেক্ষাপটে, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা শেয়ার, সাফল্য পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। এতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের অংশীদার, শিক্ষাবিদ এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয় যেখানে শহরের প্রতিনিধি দল বাজেট প্রস্তুতি, রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ, স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নাগরিক সম্পৃক্ততা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং কর্মক্ষমতা সূচক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, উভয় প্রকল্পের সফলতা এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলো প্রদর্শনের জন্য একটি গ্যালারি নির্মিত হয়। সিফোরসি প্রকল্পটি আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ও টুলসের মাধ্যমে পৌরসভার সুশাসন ও সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করছে, যাতে সহজে সেবা প্রদান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। এটি বার্ষিক সিটি গভর্নেন্স অ্যাসেসমেন্ট (সিজিএ) এর মাধ্যমে মূল্যায়িত হয়। অন্যদিকে, ‘প্রবৃদ্ধি’ প্রকল্পটি পৌর এলাকাগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা বাড়ানো, ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নত করা এবং স্মার্ট অবকাঠামো বাস্তবায়নে অগ্রগামী। এর ফলস্বরূপ, মিউনিসিপ্যাল কম্পিটিটিভনেস ইনডেক্স (এমসিআই) সহ নানা টুলের উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও তার অংশীদারদের সঙ্গে এই কর্মশালার আয়োজন গণতান্ত্রিক ও টেকসই নগর উন্নয়নের প্রতি জাইকা ও এসডিসির অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্মার্ট, শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল শহর গড়ে তোলার জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ চালিয়ে যাওয়া। এই কর্মশালার মাধ্যমে দেশের গোটা নগর উন্নয়নের প্রক্রিয়াগুলোকে আরও নতুন দৃষ্টিকোণ ও উৎসাহে এগিয়ে নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাই একসাথে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।